কমরেড আমিনুল ফরিদ একজন সাহসী, সৎ, ত্যাগী সংগ্রামী মানুষ

কমরেড আমিনুল ফরিদ একজন সাহসী, সৎ, ত্যাগী সংগ্রামী মানুষ

কমরেড আমিনুল ফরিদ একজন সাহসী, সৎ, ত্যাগী, দেশপ্রেমিক সংগ্রামী মানুষ। যেখানেই অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম সেইখানেই আমিনুল ফরিদের প্রতিবাদ। কেউ বিপদে পড়লে সকলের আগে যিনি ছুটে যান তিনি অন্য কেউ নন! তিনি আমিনুল ফরিদ। কেউ অসুস্থ-তাকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে হবে, আমিনুল ফরিদ ছুটছেন হাসপাতালে। ঝড়-বৃষ্টি, গভীর রাত তার কাছে কোনো বাধা নয়। টাকার অভাবে কেউ স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না, বই কিনতে পারছেন না– তিনি ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।

চিকিৎসা করতে পারছে না, ঔষধ কিনতে পারছে না- অর্থসংগ্রহ করে তিনি ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। এলাকায় ছিনতাই হচ্ছে অন্যদের সঙ্গে নিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন আমিনুল ফরিদ। মানুষ মারা গেছে- সবার আগে ছুটে গেছে আমিনুল ফরিদ। দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, কবর খোঁড়ার বন্দোবস্ত করা-সবকিছু দেখভাল করছেন তিনি।

এমন কি ‘করোনা’ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা, খোঁজ খবর নেওয়া। মারা গেলে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা সবই করেছেন তিনি। হত দরিদ্র বাবা-মার বিবাহযোগ্য মেয়েকে বিয়ে দেওয়া, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা সবই করেছেন কমরেড আমিনুল ফরিদ। এলাকায় মাদকসেবন, মাদক বিক্রির বিরুদ্ধে মানুষকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়েছেন তিনি। দিন নেই-রাত নেই-ক্লান্তি নেই, মানুষের কাজে ছুটে চলেছেন তিনি।

জনপ্রতিনিধি হিসাবে ক্লান্তিহীনভাবে মানুষকে সেবা দিয়েছেন তিনি। মানুষ যেন সেবা পায়, হয়রানির শিকার না হোন- সেই ব্যাপারে তিনি খুবই সজাগ। কয়েকদিন আগে এক শিক্ষার্থীর সাইকেল চুরি হয়ে গেছে। সাইকেলে চড়ে শিক্ষার্থী বাড়ি বাড়ি টিউশনি করতেন। কমরেড আমিনুল ফরিদ যখন শুনতে পেলেন ছেলেটির সাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে তখন তিনি অর্থ সংগ্রহ করে ছেলেটিকে একটি নতুন সাইকেল কিনে দিলেন।

শ্রমজীবী মানুষ, হতদরিদ্র মানুষের প্রতি আমিনুল ফরিদের ভালবাসা, মমত্ববোধ অতুলনীয়। অবিরাম সকল স্তরের মানুষের কাজে ছুটে চলেছেন তিনি। খুবই দরদ দিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি মানুষের কাজগুলি করে দেন। কখনকার খাবার কখন খান তার কোনো হিসাব-নিকাশ নেই।

এত কাজের মধ্যেও রাজপথের লড়াই এবং লাল পতাকার মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কমরেড আমিনুল ফরিদ। গড়ে তুলছেন শক্তিশালী কমিউনিস্ট পার্টি। কমরেড আমিনুল ফরিদ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি জেল খেটেছেন, আত্মগোপনে থেকেছেন।

ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে তার প্রবেশ। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন মনোনীত বগুড়া আযিযুল হক কলেজ ছাত্র সংসদরে পর পর দুইবার নির্বাচিত জি.এস.। একটানা ২৩ বছর বগুড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনোনীত জনপ্রিয় কাউন্সিলার ছিলেন। ছিলেন প্যানেল মেয়র। তিনি শুধু ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজ করেননি। কাজ করেছেন গোটা পৌরবাসীর। তার কাজে ছিল স্বচ্ছতা এবং সততা। তাঁর পরিচিত ঈর্ষণীয়। পেয়েছেন মানুষের নির্মল ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা। এবারও তিনি কাউন্সিলার পদে নির্বাচন করছেন। মানুষের কাছে তিনি যাচ্ছেন এবং আগের মতই তিনি কাজ করবেন, তেমন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ভোটাররা বলছেন আমাদের স্বার্থেই আপনাকে নির্বাচিত করতে হবে। আপনার বিকল্প অন্য কেউ হতে পারে না।

ভোটারদের অভিমত, আমিনুল ফরিদের যোগ্যতা, সততা, দক্ষতা আমরা ২৩ বছর ধরে দেখেছি। তিনি একজন যোগ্য প্রার্থী, পরীক্ষিত মানুষ। ভোট তাঁরই প্রাপ্য। নির্বাচনে এলাকার মানুষ তাঁকে আর্থিক সহযোগিতাও করে থাকেন। বলা চলে– মানুষের টাকা পয়সায় তিনি নির্বাচন করেন। বিনা পারিশ্রমিকে কর্মীরা তাঁর কাজ করেন। বরং কর্মীরাও পকেটের টাকা খরচ করেই কমরেড আমিনুল ফরিদের নির্বাচন করেন। কমরেড ফরিদের জন্য রইল শুভ কামনা।