বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ওয়েভার’ বহালের দাবি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ওয়েভার’ বহালের দাবি

সমকালিন করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু বন্ধ নেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেতন নেওয়া। 

যেনতেনভাবে ইন্টারনেট ভিত্তিক পাঠদান ও পরিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বল্পসংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় বেতনের কিছু অংশ মওকুফ করলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বেতনের পুরোটা আদায় করছে। 

কিন্তু ইতোমধ্যেই বিগত সময়ে বেতনের ২০ শতাংশ মওকুফ করলেও, পরবর্তী সেমিস্টার থেকে ‘ওয়েভার’ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। 

এই তালিকায় নতুন করে সামিল হলো ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়। 

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি তামজীদ হায়দার এবং সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রি শেখর নন্দী আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “ইস্ট-ওয়েস্টসহ অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনের পরিমাণ বিবেচনা করলে ২০% মওকুফ করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা পরিশোধ করা শিক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। শিক্ষার্থীদের ওপর বেতনের এই বোঝা চাপিয়ে দেয়া অন্যায় ও অমানবিক। নিজেদের ব্যাবসায়িক স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরুপ বিবেচনাহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।” 

নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইস্ট-ওয়েস্ট কর্তৃপক্ষের ‘ওয়েভার’ বাতিলের এই সিদ্ধান্ত হটকারি ও মোটেও শিক্ষার্থীবান্ধব নয়।” 

ওয়েভার তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। 

অনতিবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে মহামারি চলাকালিন সময় পর্যন্ত ‘ওয়েভার’ বহাল রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় তারা।