ভেনেজুয়েলায় জয়ের পথে শ্যাভেজপন্থি বামপন্থি ব্লক

ভেনেজুয়েলায় জয়ের পথে শ্যাভেজপন্থি বামপন্থি ব্লক

ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হতে চলেছে মাদুরোর নেতৃত্বাধীন শ্যভেজপন্থি বামপন্থি ব্লক।

ভেনেজুয়েলায় ২৭৭-আসনের সংসদীয় নির্বাচনে ৮২.৩৫ শতাংশ ভোট গণনার শেষে সাভিস্তাদের পক্ষে সমর্থনের হার ৬৭.৩৬ শতাংশ।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

শ্যাভেজপন্থি মাদুরোর দল ইউনাইটেড সোস্যালিস্ট পার্টির (পিএসইউভি) নেতৃত্বে বামপন্থি ব্লকে রয়েছে পিপিটি, তুপামারো, এসভি, পোডেমস, ইউপিভি, ওআরএ, এমইপি এবং এপিসি।

পিএসইউভি জোট তাদের প্রচারে জোর দিয়েছিল সাম্রাজ্যবাদের অবরোধের উপর। বিপরীতে, এপিআর বলেছে দুর্নীতি, কম মজুরি, রান্নার গ্যাস, জ্বালানির ঘাটতি-সহ সরকারের অর্থনৈতিক নীতির দক্ষিণপন্থী ঝোঁকের বিরুদ্ধে। এপিআরের প্রচারাভিযানে সরকারি-বেসরকারি মিডিয়া চালিয়েছিল ব্যাপক সেন্সরশিপ।

অন্যদিকে ওয়াশিংটনের মদতপুষ্ট প্রধান বিরোধীদল নির্বাচন বয়কটের ডাক দিলেও, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল ১০৭টি রাজনৈতিক দলের ১৪,৪০০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ৯৮টি বিরোধী রাজনৈতিক দল।

বিরোধী দলগুলোর নেতৃত্বে আছেন হুয়ান গুয়াইদো। গত দুই বছর ধরে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা গ্রহণ নিয়ে মাদুরোর সঙ্গে লড়াই করে আসছেন তিনি।

মাদুরোর বিপরীতে আলাদা সরকার গঠনের ডাক দিয়েছিলেন গুয়াইদো। যুক্তরাষ্ট্রসহ অর্ধশতাধিক দেশের সমর্থনও পেয়েছিল তার সরকার। তখন ভেনেজুয়েলা হয়ে উঠেছিল-এক দেশ দুই সরকার।

গতকাল রোববার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ভেনেজুয়েলার নির্বাচনকে ‘জালিয়াতি ও লজ্জাজনক’ ঘটনা বলে অভিহিত করেন।

পম্পেও বলেন, এই নির্বাচনের ফলাফল অবৈধ মাদুরো সরকারের প্রতি মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন নয়।

অন্যদিকে গতকাল রোববার ভোট দেওয়ার পর মাদুরো বলেন, “এই নির্বাচনের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার উত্তরণের যুগের শুরু হবে”।

মাদুরো বলেন, “অপেক্ষা করার মতো ধৈর্য ও প্রজ্ঞা আমাদের আছে। এই ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি থেকে মুক্তি পাওয়ার দিনটি থেকে আমরা অপেক্ষা করছি”।