১১ নভেম্বর: বগুড়ার ঐতিহাসিক “শহীদ বাবুর পকুর দিবস”

আজ ১১ নভেম্বর বগুড়ার ঐতিহাসিক “শহীদ বাবুর পকুর দিবস”।

ঐতিহাসিক “শহীদ বাবুর পকুর দিবস” উপলক্ষে বগুড়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, যুব ইউনিয়ন এবং ছাত্র ইউনিয়ন বাবুর পুকুরে শহীদ ১৪ জনের প্রতি আজ সকাল ১১টায় শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করেন।

আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন সিপিবি বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না এবং সঞ্চালনা করেন যুবনেতা শুভ শংকর গুহরায় বাবুন। এসময় বক্তব্য রাখেন সিপিবি বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ফরিদ, কৃষক সমিতি বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার পাল, ক্ষেতমজুর সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লিয়াকত আলী, ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাদিম মাহমুদ, ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলা সংসদ এর সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহান, কোষাধ্যক্ষ বায়েজিদ রহমান।

বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকা থেকে পাকহানাদার বাহিনী ২১জন কে ধরে নিয়ে যায়। বাবুরপকুরে হত্যা করেছিল ১৪ জন বীরবাঙ্গালীদের। হত্যা করেছিল ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলা সংসদের তৎকালীন সভাপতি আব্দুল মান্নান পশারী ও তার ছোট ভাই হান্নান পশারী সহ ১৪ জনকে।

এই ১৪ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হলেন- মাহফুজার রহমান, মান্নান পশারী, আব্দুল হান্নান পশারী, ওয়াজেদুর রহমান টুকু, জালাল, মন্টু, আব্দুস সবুর, সাইফুল ইসলাম, আলতাফ আলী, ফজলুল হক খান, বাদশা শেখ, আবুল হোসেন, টেলিফোন অপারেটর নূরজাহান ও অজ্ঞাত একজন।

এসময় ১৪ জন বীর শহীদদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান, বাবুর পুকুর দিবস প্রশাসনিক ভাবে পালন করা ও বাবুর পুকুরের স্মৃতিসৌধ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রশাসনকে নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

পরিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, পুঁজিবাদী মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রেসক্রিপশনে দেশ পরিচালিত হওয়ায় তীব্র নিন্দা জানান বক্তরা।