সিপিবির সাথে ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র ৭ নেতার একীভূতকরণ সম্পন্ন

১০ নভেম্বর ২০২১, বুধবার পুরানা পল্টনস্থ মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র ৭ পদত্যাগী নেতা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাথে একীভূত হয়েছে।

পদত্যাগকারী ৭ নেতা হচ্ছে ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সভাপতি কমরেড নুরুল হাসান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড সৈয়দ মজনুর রহমান, কমরেড সিরাজুম মুনীর, কমরেড তপন সাহা চৌধুরী, কমরেড বজলুর রহমান, কমরেড এনায়েত করিম ফারুক, কমরেড বসুনিয়া হাবিব।

একীভূতকরণ সভা থেকে উক্ত ৭ নেতাকে সিপিবির গঠনতন্ত্র মোতাবেক পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া হয়। এছাড়াও কমরেড নুরুল হাসান সিপিবি’র উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সিপিবি সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে একীভূত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম, কমরেড নুরুল হাসান, কমরেড হায়দার আকবর খান রনো, কমরেড মনজুরুল আহসান খান, কমরেড সৈয়দ মজনুর রহমান, কমরেড তপন সাহা চৌধুরী, কমরেড বজলুর রহমান ও কমরেড এনায়েত করিম ফারুক। একীভূতকরণের যুক্ত ঘোষণা পাঠ করেন কমরেড সিরাজুম মুনীর। সভা পরিচালনা করেন কমরেড আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।

লিখিত যুক্ত ঘোষণায় বলা হয়, ‘মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-প্রলেতারীয় আন্তর্জাতিকতাবাদে বিশ্বাসী ঐক্যবদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টিতে একীভূত হয়ে আমরা সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের লক্ষ্যে এবং নিপীড়িত জাতি ও জনগোষ্ঠীর সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রেখে বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা ও অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করছি। এই যুক্ত ঘোষণার ভিত্তিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি’র সাথে একীভবনের এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই একীভূত পার্টি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নামেই পরিচিত হবে এবং  ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গৃহীত দলিলসমূহ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর থাকবে এবং সেসব দলিল ও সিদ্ধান্তসমূহ অনুসরণ করে কাজকর্ম পরিচালনা করা হবে।’

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, একীভূত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কমিউনিস্ট ঐক্য এক ধাপ এগিয়ে গেলেও এর পূর্ণতার জন্য আরো দূর যেতে হবে। নেতৃবৃন্দ কমিউনিস্ট ঐক্য গড়ে তোলার জন্য দেশের সকল কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.