সালমান রুশদী কথা বলতে পারছেন

যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লেখক সালমান রুশদীর ভেন্টিলেটর সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং তিনি এখন কথা বলতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তার মুখপাত্র অ্যান্ড্রু ওয়াইলি।

যদিও তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

তবে রুশদীর মুখপাত্রের কথায় অনেক লেখক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা টুইট করে সালমান রুশদীর বর্তমান অবস্থার কথা জেনে স্বস্তি প্রকাশ করছেন।

বিবিসি বাংলা (অনলাইন) –এর এক প্রতিবেদনে এসব খবর পরিবেশন করা হয়।

প্রসঙ্গত, দ্য স্যাটানিক ভার্সেস বইয়ের লেখক সালমান রুশদী নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় হামলার শিকার হন। তার অবস্থা ছিলো গুরুতর।

হাদি মাতার নামে একজন যুবক দৌড়ে মঞ্চে উঠে সালমান রুশদীর মুখ, গলা ও পাকস্থলী বরাবর উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালে স্যাটানিক ভার্সেস প্রকাশিত হওয়ার পর প্রায় দশ বছর ধরে সালমান রুশদীকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিলো।

ইরানের তখনকার ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া দিয়েছিলেন এবং তার মাথার দাম তিন মিলিয়ন ডলার ঘোষণা করেছিলেন। সেই ফতোয়া এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। যদিও এই ফতোয়া থেকে সমর্থন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইরান সরকার। তবে ইরানের ধর্মীয় ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তা ২০১২ সালে পুরষ্কারের পরিমাণ আরও পাঁচ লাখ ডলার বাড়িয়ে দেন।

সালমান রুশদী ১৯৪৭ সালে ভারতের বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বাই) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ক্যামব্রিজে পড়ার আগে তিনি ইংল্যান্ডের বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.