সরকার অনুগত নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়াবে

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন বিদ্যমান গভীর রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করবে না; বরং প্রধানমন্ত্রী তথা সরকারি দলের পছন্দসই নির্বাচন কমিশন গঠনের ঘোষণা অবিশ্বাস, অনাস্থা ও রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়িয়ে দেবে।

আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের এক সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে মতৈক্য ছাড়া যে প্রক্রিয়ায় নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হতে যাচ্ছে বাস্তবে তা জনগণ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহের আস্থা অর্জন করবেনা।

তারা আরও বলেন, সরকার যে হুদা কমিশন ও রকিব কমিশনের মত আর একটি সরকার অনুগত নির্বাচন কমিশন গঠন করতে যাচ্ছে তা অত্যন্ত স্পষ্ট। পার্থক্য হচ্ছে এবার সরকার অনুগত এই কমিশনকে আইনী পোশাক পরানো হচ্ছে।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার ও নির্বাচনী ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার ছাড়া ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোন অবকাশ নেই। আন্দোলনের পথে ভোটের অধিকার হরণকারী সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে না পারলে ভোটের অধিকার অধিকার অর্জন ও অবাধ গ্রহনযোগ্য নির্বাচনসহ কোন অধিকারই কায়েম করা যাবেনা।

নেতৃবৃন্দ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন বেগবান করার আহবান জানান।

সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাম জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাম জোটের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশিদ ফিরোজ, আবদুল্লাহ কাফি রতন, মানস নন্দি,  মোশাররফ হোসেন নান্নু, মোশরেফা মিশু, ইকবাল কবির জাহিদ, বাচ্চু ভূঁইয়া, আবদুল আলী, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, আকবর খান, শহীদুল ইসলাম সবুজ, মাসুদ রানা, বিধান দাস, রুবেল সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ভাষা শহীদ দিবসে  শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আগামীকাল সকাল ৭টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাম জোটের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.