রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ‘সেইফ জোন’ সম্ভব নয়: মিয়ানমার

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের পঞ্চম দিনের বিতর্কে নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় শনিবার রাতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের মন্ত্রী কোয়ে তিন্ত সোয়ে রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ‘সেইফ জোন’ বা নিরাপদ অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বলেন দুই বছর আগে সম্পাদিত দ্বিপক্ষীয় প্রত্যাবাসন চুক্তির বাইরে গিয়ে কিছু করার নেই।

তবে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগের মুখে তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য ‘আরও উপযোগী পরিবেশ’ তৈরিতে মিয়ানমার এখন অগ্রাধিকার দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন দেশটির জ্যেষ্ঠ এ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির জোটে আসিয়ানের মধ্য সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৭ সালের অগাস্টে সেনা অভিযানের পর প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে।

ওই বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন হবে জানিয়ে কোয়ে তিন্ত সোয়ে বলেন, “মিয়ানমারের ভেতরে ‘সেইফ জোন’ বা নিরাপদ অঞ্চল তৈরির চাপ রয়েছে। কিন্তু এটি নিশ্চিত করা যাবে না, বাস্তবসম্মতও নয়।”

বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা এসেছেন ২০১৭ সালের অগাস্টে রাখাইনে নতুন করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন শুরু হওয়ার পর। জাতিসংঘ ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযান হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.