যুগের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে কমিউনিস্টদের

মৃণাল চৌধুরী

৬ মার্চ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৩৫ সনে মস্কোতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় আন্তর্জাতিকের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্ল্যাটফর্ম হিসাবে গড়ে তোলার মানসে অবিভক্ত ভারতের কমিউনিস্টরা কংগ্রেসের মধ্যেই কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। যদিও ১৯৩৭-৩৮ সন থেকে তৎকালীন পূর্ব বঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, খুলনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কমিউনিস্ট পার্টি গঠনের কাজ শুরু হয় এবং স্থানে স্থানে কৃষক ও শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করে কমিউনিস্টরা। কংগ্রেসের সাথে নীতিগতভাবে ভিন্নতা, কংগ্রেস কর্মীদের হাতে বিভিন্ন স্থানে কমিউনিস্ট নির্যাতন ইত্যাদি কারণে ১৯৪৬ সনে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশগ্রহণ করে এবং চারটি আসনে জয়লাভ করে।

১৯৪৮ সনের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত কোলকাতায় অনুষ্ঠিত হয় ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির ২য় কংগ্রেস। কংগ্রেসে সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশের প্রতিনিধিরাই উপস্থিত ছিলেন। তৎকালিন পূর্ব বঙ্গ থেকেও যোগ দিয়েছিলেন ১২৫ জন প্রতিনিধি। পাকিস্তানের জন্য সতন্ত্র পার্টি গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্দির মধ্য দিয়ে ৬ মার্চ গঠন করা হয় পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি। ৬ মার্চ তারিখেই পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলাদাভাবে সম্মেলন করে গঠন করা হয় পূর্ববঙ্গের কমিউনিস্ট পার্টি। সে হিসাবে স্বাধীন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিও ৬ মার্চকে পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস হিসাবে পালন করে।

১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ কমিউনিস্টদের ইতিহাস হলো হার না মানা লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। জেল জুলুম হুলিয়া মাথায় নিয়ে আত্মত্যাগের ইতিহাস। এই সময়ে পার্টির ইতিহাস হলো পূর্ব পাকিস্তানের আত্ম নিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, শ্রমিক, ছাত্র, যুব সহ জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার সাহসিক লড়াইয়ের ইতিহাস। ১৯৪৮ সনের ভাষা আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী আন্দোলন, ১৯৪৯-৫০ সনের ঐতিহাসিক টংক আন্দোলন, নানকার প্রথাবিরোধী আন্দোলন, তেভাগার সংগ্রাম, ৫০ এ কমিউনিস্ট কর্মীদের জীবন বাজি রাখা দাঙ্গা প্রতিরোধ, ৫২ সনের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, যুবলীগ গঠন ও আওয়ামী মুসলিম লীগকে আওয়ামী লীগে রুপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন, যুক্ত ফ্রন্ট নির্বাচনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন, পাটকল, সুতাকল, রেলওয়েসহ বিভিন্ন সেক্টরে শ্রমিক কর্মচারী আন্দোলন প্রসারিত করার মধ্য দিয়ে “পূর্ব পাকিস্তান মজদুর ফেডারেশন” গঠন, সারা পূর্বপাকিস্তান ব্যাপী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের বীরোচিত অগ্রযাত্রা, সাম্রাজ্যবাদের পদলেহী প্রতিক্রিয়াশীল বিদেশ নীতির প্রতিবাদে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন, ১৯৬১ সনে তৎকালিন আওয়ামী লীগের মূল নেতা শেখ মুজিবর রহমানের সাথে কমিউনিস্ট নেতৃবৃন্দের বৈঠক ও সমঝোতার ধারাবাহিকতায় স্বৈরশাসকের তখ্ত কাঁপানো “৬২ এর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন, ৬৬ সনে আওয়ামী লীগের ৬ দফার সাথে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা ও কৃষক, শ্রমিক মেহনতি মানুষের দাবি সংযুক্ত করে ঐতিহাসিক ১১ দফার ভিত্তিতে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ হাজার গেরিলা নিয়ে প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে নিয়ামক ভূমিকা পালন ইত্যাদি বহু লড়াই সংগ্রাম করেছে কমিউনিস্ট পার্টি। কখনো নেতৃত্ব দিয়েছে কখনো উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেছে। ফলে কমিউনিস্ট পার্টির উপর লীগ গুণ্ডাদের হামলা হয়েছে। শত শত নেতা কর্মীদের জেলে পুরেছে। জেলখানাতেও নির্যাতনের পর নির্যাতন, হত্যা করা হয়েছে কমিউনিস্টদের। ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেককে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। শত শত কৃষক রমণীদের ধর্ষণ করা হয়েছে। নাচোলের রানীমা ইলা মিত্রের উপর পাশবিক নির্যাতন বিশ্বের বিবেকবান মানুষদেরও বিচলিত করেছে।

১৯৭১ থেকে ২০২১। ইতিমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পরে বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রীয় ৪ নীতি ঘোষণা করেছিলেন। কমিউনিস্ট পার্টিও “সমাজে বিপ্লবী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে” মর্মে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছিল। ফলে মধ্যবিত্ত পেটিবুর্জোয়াদের সাথে কমিউনিস্টদের চিরাচরিত কৌশল, ঐক্য ও সংগ্রামের ক্ষেত্রে সংগ্রামের চেয়ে ঐক্যের উপর অধিকতর জোর দেয়া হয়েছিল। যার ফলে পার্টি ও বামপন্থিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দ্বিতীয় বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি। অল্পদিনের মধ্যেই পার্টির মূল্যায়ন যে সঠিক নয় তা পার্টি বুঝতে পারে। পার্টি মূল্যায়ন করে বলে “বঙ্গবন্ধুকে তার দল ও শ্রেণি থেকে আলাদা করে দেখা সঠিক হয়নি। দেখতে হবে গতির মধ্যে”। বঙ্গবন্ধু ক্ষেত্র বিশেষে আপোষ করা সত্বেও সাম্রাজ্যবাদ দেশীয় প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির যোগসাজশে দেশে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে কতিপয় উচ্চাভিলাষী সামরিক বাহিনীর সদস্যকে ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্যই ছিল দেশকে সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর অবাধ ধনবাদের পথে পরিচালিত করা। এরপর থেকে কখনো সামরিক শাসন কখনো গণতন্ত্রের খোলসে স্বৈরশাসন অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদ ঘেষা দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়াশীল নীতি দ্বারা দেশ শাসিত হচ্ছে। সত্য যে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ ও তার কন্যা শেখ হাসিনাও এই ঘেরাটোপ থেকে বের হতে পারেন নি। মূল কথা দীর্ঘ ৪৬ বছরে শাসক দলের পরিবর্তন হলেও শাসক শ্রেণির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থায় উৎপাদনমুখি পুঁজির বিকাশ ঘটে না। ফলে কারখানার পর কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পাটকল, বস্ত্রকল, চিনিকল, এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কে.পি.এম, কে.আর.সি, পতেঙ্গা স্টিল মিলসহ বহু কারখানা সাম্রাজ্যবাদী তোষণ নীতির কারণে ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। চারদিকে অসহনীয় বেকারত্ব। গাধার সামনে মুলা ঝোলানোর মত লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মচারী গোল্ডেন হ্যান্ডসেকের শিকার। যে কিছু কারখানা আছে তাতেও চলছে ছাঁটাই, চাকুরীচ্যুতি। মালিকের স্বার্থেই শিল্প ও শ্রমনীতি। ট্রেড ইউনিয়ন মানে শিল্প পুলিশের হামলা। কারখানায় সবেতনে মাস্তান পোষা হচ্ছে। হামলা, মামলার কারণে কার্যত: ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন নিষিদ্ধ। বিপ্লবী ধারার ট্রেড ইউনিয়নের স্থান দখলে নিয়েছে এন.জি.ও ধারার ট্রেড ইউনিয়ন। কৃষক কৃষি পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। হাজার হাজার একর জমিনে চাষাবাদ হয় না। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় অস্ত্রধারী সরকারি দলের ক্যাডাররা দখল করে আছে। যুব সমাজ নৈতিকতা বিবর্জিত মাদকাসক্তির শিকার। দলীয় ক্যাডার হওয়াকে গৌরব বোধ করে। নারী ধর্ষিত হয়, তার নগ্ন ছবি মিডিয়ায় প্রকাশ হয়। ছাত্রদের পাশের হার যতই বাড়ে, মনুষ্যত্বের হার যেন ততই কমে। স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদী শক্তি চুড়ান্ত ছোবল মারার জন্য শক্তি সঞ্চয় করছে। শাসক দল ক্ষমতায় যাওয়া ও থাকার জন্য আমিষ, নিরামিষ কিছুই বোঝে না। যে কারও সাথে আপোষ করতে তার আপত্তি নেই। নাগরিক স্বাধীনতা নেই বললেই চলে। প্রয়োজনে ১৫৪ টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়। ভোটের আগের রাতেই ভোট হয়। আওয়ামী লীগ, বি.এন.পি, জাতীয় পার্টি, জামাত সব সাপেরই একই বিষ। প্রশ্ন হলো আর কত? এরকম অবস্থায় কমিউনিস্টরা যুগের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে কি?

একাদশ কংগ্রেসের পর আমরা বহু আন্দোলন করেছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পার্টি সব সময়ই রাজপথে ছিল। জাতীয় স্বার্থ ও শ্রেণি স্বার্থের বিভিন্ন ইস্যুতে সভা-সমাবেশ, মিছিল, ধর্না, মানববন্ধন, লংমার্চ এমনকি ঘেরাও আন্দোলন করেছি। জাতীয় স্বার্থে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর রক্ষা আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম, হাওর রক্ষা আন্দোলন, হকার উচ্ছেদ বিরোধী আন্দোলন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে অর্ধবেলা হরতাল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন, ফেনীর নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে সোনাগাজি অভিমুখে লং মার্চ ও খুন ধর্ষণের প্রতিবাদে গণভবন থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত মানববন্ধন, দুঃশাসন হটাও- ব্যবস্থার বদলের দাবিতে সারাদেশে পদযাত্রা, ২০১৮ সনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন পর মুখে কালো কাপড় বেঁধে দু:সাহসী আন্দোলন, প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর অভিমুখে পদযাত্রা ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, ধানসহ কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে আন্দোলন, পাটশিল্প রক্ষা ও পাটকল, চিনিকল বন্ধের প্রতিবাদে চলমান আন্দোলন ইত্যাদি বহু আন্দোলনের ফিরিস্তি দেয়া যায়। বিভিন্ন জেলা উপজেলায়ও বিভিন্ন স্থানীয় ইস্যুতে আন্দোলন এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিজয়ও অর্জিত হয়েছে। পার্টির গণসংগঠন গুলিও বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। এ সকল আন্দোলনের ফলে সমাজ বিপ্লব হয়নি সত্য কিন্তু দলে, উপ-দলে দেশব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাম কমিউনিস্টদের মধ্যে বৃহত্তর কমিউনিস্ট ঐক্য গড়ে তোলা এবং কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদানের আগ্রহ বেড়েছে।

বুর্জোয়া সমাজকে ভাঙ্গা যাবে না তার থেকে ছোট কোনো অস্ত্র দিয়ে। বুর্জোয়া সমাজ ব্যবস্থা আদর্শের ক্ষেত্রে, রাজনীতির ক্ষেত্রে যে প্রভাব বিস্তার করেছে তার থেকে উন্নত কোনো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা ছাড়া বুর্জোয়াদের পরাজিত করা যাবে না। কি সে অস্ত্র? কমরেড লেনিন নিজেই বলেছেন “আমাকে একটি সংগঠন দাও। আমি রাশিয়াকে পাল্টে দেবো।” কমরেড লেনিন ও তার অনুগামিরা রাশিয়াকে পাল্টে দেওয়ার মতো সংগঠন তৈরী করেছিলেন। সে ধরনের সাংগঠনিক অস্ত্র তো আমাদের হাতে নেই। কমিউনিস্ট পার্টি গাছ বড়-ফল কম। অস্ত্র হতে হবে সাংগঠনিকভাবে, আদর্শিকভাবে, চেতনাগতভাবে নৈতিকতার দিক থেকে ধারালো আর নেতৃত্বকে হতে হবে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও ঐক্যবদ্ধ।

১ম বিশ্বযুদ্ধের পর কমরেড লেনিনের নেতৃত্বাধীন বলশেভিক পার্টি রাশিয়ায় প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংগঠিত করেছিল। ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর সৃষ্টি হয়েছিল সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব ও পরাধীনতার যোয়াল ভাঙ্গার জোয়ার। বর্তমানেও করোনা মহামারী সমগ্র বিশ্বকে অর্থনৈতিক মহামান্দার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পুঁজিবাদের পক্ষে তা সামাল দেয়া সম্ভব নয়। সম্ভব না হলেও পুঁজিবাদ তো স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেবে না। তাই আসুন শ্রেণি সংগ্রাম, স্থানীয় সংগ্রাম, জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন, গণসংগঠনের মাধ্যমে গণ মানুষের সংগ্রামকে তীব্র থেকে তীব্রতর করে, সকল আন্দোলনকে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যাভিমূখি করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুগের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার শপথ নেই। বিজয় আমাদের হবেই।

লেখক : সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, সিপিবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.