মিহির ঘোষসহ সিপিবি নেতা কর্মীদের মুক্তি দাবি বাম জোটের

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষসহ গাইবান্ধায় বাম জোটের ৫১ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে বাম নেতৃবৃন্দ।

১৯ জানুয়ারি, বুধবার বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বাম নেতৃবৃন্দ হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গাইবান্ধায় সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, পার্টি নেতা সাদেকুল ইসলামসহ নেতা কর্মীদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন কেন্দ্র করে সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সন্ত্রাস ও গুন্ডামীর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদেরকে ধারাবাহিক ভাবে হয়রানি ও নিপীড়ন করা হচ্ছে।

তারা বলেন,প্রশাসনকে ব্যবহার করে অন্যায়ের প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দমনমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মিহির ঘোষসহ গ্রেপ্তার করা নেতা কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

নেতৃবৃন্দ গাইবান্ধায় বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা গোলাম সাদেক লেবুসহ ৫১ জন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করারও দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতি প্রদান করেন বাম জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদ-মার্কসবাদীর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মানস নন্দি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশারেফা মিশু, ওয়ার্কার্স পার্টি- মার্কসবাদীর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.