ভবানীপুরে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিশ্চিত করলেন মমতা

প্রত্যাশামতোই ভবানীপুরের উপনির্বাচনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ব্যবধানে জয় পেলেন। তিনি ৫৮ হাজার ৫৮২ ভোটে জিতেছেন।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থাকতে হলে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে তাঁকে জিততেই হতো। শেষ পর্যন্ত এই উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ টিকিয়ে রাখলেন মমতা।

এর আগে দুই বার ভবানীপুরে দাঁড়িয়েছিলেন এবং জিতেছিলেন মমতা। একবার ৫৪ হাজার ভোটে ও অন্যবার ২৬ হাজারের মতো ভোটে। এবার তার থেকেও বেশি ব্যবধানে জিতেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হারের পর এই রেকর্ড ব্যবধানে জয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুশি।

এবারের উপনির্বাচনে মমতা ৮৪ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াংকা টিবরেওয়াল পেয়েছেন ২৬ হাজারের বেশি ভোট।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার এবারের নির্বাচনে মমতা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর কাছে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন মমতা।

নন্দীগ্রামে মমতা হেরে গেলেও সংবিধান মেনে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করে। সাংবিধানিক বিধি হলো ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হবে।

মমতাকে ভবানীপুর আসন থেকে জেতানোর লক্ষ্যে সেখানকার নির্বাচিত তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। এতে ভবানীপুর আসনটি শূন্য হয়। সেই আসনের উপনির্বাচনে লড়েন মমতা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন হয়। এই আসনে ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা জয়ী হয়েছিলেন।

রাজ্যের বাকি দুই কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জেও এগিয়ে তৃণমূল। জঙ্গিপুরে ৪৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে, আর সামসেরগঞ্জে  ১৪ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল এগিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.