বিপ্লবের স্থপতি নেপাল নাগ

মনির তালুকদার

যুক্ত বাঙলার অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির গোড়ার যুগের অন্যতম নেতা ও সংগঠক ছিলেন নেপাল নাগ। কুসুমকুমারী এবং সুরেশচন্দ্র নাগের কনিষ্ঠ পুত্র নেপাল নাগের জন্ম ঢাকায় ১৯০৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। আর মৃত্যু এসে তাঁকে ছিনিয়ে নেয় ১৯৭৮ সালের ৫ অক্টোবর, উনসত্তর বছর বয়সে কলকাতায়।

দীর্ঘ পাতলা গড়নের সুপুরুষ চেহারার নেপাল নাগ ছোটবেলা থেকেই ছিলেন ডানপিটে স্বভাবের। তাঁর ভাল নাম ছিল শৈলেশ। স্কুলের ছাত্রাবস্থাতেই নেপাল নাগকে বাছাই করা হয়েছিল গোপন বিপ্লবী দলের চরম সাহসী কাজের জন্যে। ঢাকা শহরের বুকে কিছু অসামাজিক দেশদ্রোহী শক্তি–যারা গোয়েন্দা পুলিশের প্ররোচণায় বিপ্লবী দলগুলোর নানাভাবে ক্ষয়ক্ষতি করতে চাইত, তাদের সামাল দিতে ও প্রয়োজনে নির্মূল করে দিতে ১৯২০-এর দশকের শেষার্ধ্বে বেশ কয়েকটি ঘটনায় জিতেন ঘোষ প্রমুখের সঙ্গে নেপাল নাগকে অংশ নিতে হয়েছে। রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানের অন্যতম বিপ্লবী নায়ক বিনয় বসু ছিলেন নেপাল নাগের থেকে মাত্র এক বছরের বড়। কিন্তু অন্তরঙ্গতা ছিল ঘনিষ্ঠ। সঙ্গে ছিলেন বঙ্গেশ্বর রায়, অপূর্ব রায় প্রমুখ। এরা সকলেই বিপ্লবী নেতা হেমন্ত ঘোষের অনুগামী ছিলেন।

১৯৩০ সালের ডিসেম্বরে কলকাতায় রাইটার্স বিল্ডিংয়ে বিনয়-বাদল-দীনেশের শত্রু নিধন এবং আত্মদানের দুর্দান্ত ঘটনার পর বিপ্লবীদের কারও কারও পক্ষে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা বাতিল হয়ে গিয়েছিল। নেপাল নাগসহ কয়েকজন বিপ্লবী আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। গ্যান্ডারিয়া পাড়াতেই একটি পরিবারের আশ্রয়ে থাকার সময়ে এক সন্ধ্যায় খবর এলো শ্রী সংঘের এক কিশোর কর্মী অনুশীলন দলের এক কর্মীকে অন্যায়ভাবে মেরেছে। ফলে দু’পক্ষেই তোড়জোড় চলছে এবং একটা বড় রকমের মারপিট-রক্তারক্তি কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। খবর পেয়েই নেপাল নাগ কয়েকজনকে নিয়ে সন্ধ্যার অন্ধকারে বেরিয়ে পড়লেন। সোজা চলে গেলেন এক বৃহৎ আমবাগানে, যেখানে উত্তেজিত অনুশীলন দলের কর্মীরা জড়ো হয়েছেন। নেপাল নাগ তাদের কিশোর কর্মীটিকেও ওখানে নিয়ে এলেন। নেপাল নাগ তাঁকে নিয়ে এগিয়ে গেলেন ঘন অন্ধকারে অনুশীলন কর্মীদের ভিড়ের মধ্যে। হঠাৎ নেপাল নাগকে দেখে তারা অনেকেই অবাক হলেন। কোনো কথা না বাড়িয়ে নেপাল নাগ তাদের সোজা বললেন, তাদের দলের কর্মীটিই অন্যায় করেছে, সে নিজে এবং দলের পক্ষে তারাও ওই অন্যায়ের জন্যে নিঃসংকোচে ক্ষমা চাইতে এসেছেন। হঠাৎ এই কাণ্ডে অনুশীলন দলের কর্মীরা হতবাক। তারা নেপাল নাগকে যথেষ্ট চেনে। এই ব্যক্তিটি যে মারপিটে সিদ্ধহস্ত তাও তাদের ভালো করেই জানা আছে। কিন্তু সেই ব্যক্তিই যখন অসংকোচে অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইছেন তখন তাদের আর কিছু বলার ছিল না। হাত মিলিয়ে হাসিমুখে তারা ফিরে গেলেন। নেপাল নাগও বিজয়ী হয়ে ফিরে এলেন। কারণ, ব্রিটিশ শত্রুর বিরুদ্ধে যেটুকু শক্তি সঞ্চিত আছে তার বিন্দুমাত্র অপচয় করা যাবে না। এই ছিল সেই সময় তাদের স্থির সিদ্ধান্ত। সেক্ষেত্রে নেপালদা সেই লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হননি।

অনেকেই জানেন না নিজের পৌঢ়া মা’কেও নেপাল নাগ টেনে এনেছিলেন গোপন বিপ্লবী কাজে। দাদাও বাদ যাননি সহায়ক হতে। ১৯৩১ সালের একেবারে শেষ দিকে বেশ কয়েকটি কর্মকাণ্ডে হয় সংগঠক হিসেবে নয় নিজে অংশগ্রহণ করে ঢাকা শহরে এক গোপন আস্তানায় জনৈক সহকর্মীর বিশ্বাসঘাতকতার ফলে নেপাল দা ধরা পড়ে যান। ১৯৩৮ সালে দেউলি ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে মুক্তি লাভ করে সে সময়কার অন্যান্য তরুণ কমিউনিস্টদের মতোনই নেপাল নাগ বাড়িতে না ফিরে কলকাতায় যে ঘরে কমরেড মুজফফর আহমদ, প্রমোদ দাশ গুপ্ত, আবদুল হালিম থাকতেন সেখানে এসে ওঠেন। কমরেড মুজফফর আহমদ তাকে বিহারে ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন তৈরি করার জন্যে পাঠিয়ে দেন। সেখানে সাফল্যের সঙ্গে কাজ সেরে ফিরে এলে মুজফফর আহমদ তাকে ঢাকায় সুতাকল শ্রমিকদের সংগঠন তৈরি করার পরামর্শ দেন।

নেপাল নাগের জীবনের প্রায় ১০ বছর জেল অথবা অন্তরীণ অবস্থায় কেটেছে, আর ১৪ বছর অজ্ঞাতবাসে। মিল এলাকায় এসে নেপাল নাগ সহযোগী হিসেবে পেলেন কমরেড অনিল মুখার্জি এবং বারীন দত্তকে। নেপাল নাগ যখন ১৯৩৯-৪০ সালে কমিউনিস্ট পার্টির বেআইনী যুগে ঢাকার জোড়পুল লেনের গোপন ডেরা থেকে জ্ঞান চক্রবর্তী, সুধীন কর প্রমুখের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলার আশপাশের সুতাকল অঞ্চলের শ্রমিক সংগঠন গড়ার কাজে সকাল আটটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত সদাব্যস্ত থাকতেন। ১৯৪০ সালের এপ্রিল মাসে “ঢাকা কংগ্রেস কর্মী সম্মেলন” আয়োজন করা হয়েছিল মূলত কমিউনিস্ট পার্টিকে সুসংগঠিত করার উদ্দেশ্যে। ব্রিটিশ সরকার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ওই সম্মেলন করতে বাধা দেয় এবং নেপাল নাগ, ফণী গুহ, বঙ্গেশ্বর রায়সহ ১৫ জন কমিউনিস্টকে গ্রেপ্তার করে ৬ মাসের জন্যে জেলে পাঠায়। কারামুক্তির পরেও তাদের অন্তরীণ করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু নেপাল নাগ ও জ্ঞান চক্রবর্তী তা অগ্রাহ্য করেই আত্মগোপন ও ছদ্মবেশের দ্বারা পার্টির ও শ্রমিক সংগঠনের কাজ অব্যাহত রাখেন। ১৯৪২ সালের ৮ মার্চ ঢাকার সূত্রাপুরে ফ্যাসিস্টবিরোধী সম্মেলনে যোগদানের সময় যখন তরুণ সাহিত্যিক ও রেল শ্রমিক ইউনিয়নের সংগঠক সোমেন চন্দকে উগ্রজাতীয়তাবাদী এবং কমিউনিস্টবিরোধী শক্তি হত্যা করে। সে সময় নেপাল নাগ নারায়ণগঞ্জ জেলার সুতাকল অঞ্চলে আত্মগোপন করেছিলেন গলায় কষ্ঠিধারী প্রবীণ পুরোহিত সেজে। ঢাকার সংবাদ পেয়েই মাথায় ফেজটুপি চাপিয়ে দাড়িওয়ালা মৌলবী সেজে হাজির হন এবং ঢাকা শহরে কমরেডদের নিরাপত্তার ব্যবস্থায় সক্রিয় হন। জ্যোতি বসু, স্নেহাংশু আচার্য প্রমুখ নেতারা সে সময় ঢাকায় এসেছিলেন ফ্যাসিস্ট বিরোধী সম্মেলনে যোগ দিতে। এই সম্মেলনের প্রধান দায়িত্বে ছিলেন নেপাল নাগেরই অগ্নিদিনের সাথী রণেন বসু।

আইনসঙ্গত হওয়ার পর ১৯৪৩ সালে তদানীন্তন কমিউনিস্ট পার্টির বোম্বে কংগ্রেসের প্রাক্কালে ২৪৯ নম্বর বউবাজার স্ট্রিটের অফিসে যুক্ত বাংলার প্রাদেশিক কমিউনিস্ট পার্টির সম্মেলনে নেপাল নাগ সাত সদস্যের প্রাদেশিক কমিটির সদস্য হন। তখন তাঁকে ঢাকা-কলকাতা উভয় কেন্দ্রেই শ্রমিক আন্দোলনের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। এমনকি ওই একই সময় বিহারের মুঙ্গের অঞ্চলের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।

১৯৪৩ সালে কমরেড নাগ অবিভক্ত বাংলার রাজ্য কমিটির (ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বস্তুতঃ নেপাল নাগ মধ্য ত্রিশের সেই যুবক বয়সে তিনি ছিলেন অদম্য ও পরিণত এক কমিউনিস্ট নেতা। ঢাকেশ্বরী কটন মিলের মালিকেরা জেলা শাসকের মাধ্যমে নেপাল নাগের ওপর মিল এলাকায় প্রবেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেও তাঁর শ্রমিক সংগঠন গড়ার কাজকে ঠেকাতে পারেনি। তিনি ডিঙি নৌকা ভাড়া করে শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে গিয়ে ঢাকেশ্বরী ২নং ও ১নং কটন মিলের খেয়া পারাপারের স্থানে জলে ঝাঁপিয়ে পড়তেন এবং শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝদরিয়ায় একটি লগিপুঁতে নিতেন। দুই মিলের শ্রমিকরা খেয়া পারাপার হতেন। সেখানে তিনি দিনে ৬-৭ ঘণ্টা জলের মধ্যে লগি ধরে বক্তৃতা করতেন। রাজনৈতিক শিক্ষা দিতেন। একদিন দু’দিন নয়, মাসের পর মাস জলে সাঁতার কাটতে কাটতে তিনি ঢাকেশ্বরী কটন মিলের শ্রমিকদের মধ্যে শক্তিশালী ইউনিয়ন গড়ে তুলেছিলেন সাংগঠনিক ক্ষমতায় দক্ষ নেপাল নাগ। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর কমিউনিস্ট পার্টির তদানিন্তন প্রাদেশিক কমিটির সদস্য মণি সিংহ, খোকা রায় (সুধীন রায়) এবং নেপাল (শৈলেশ) নাগ প্রমুখ আরো কয়েকজন স্থির করলেন পূর্ব-পাকিস্তানে গিয়ে পার্টির কাজ করবেন। সপরিবারে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। নিবেদিতা নাগ এ সময় নারায়ণগঞ্জের “উইমেনস কলেজ” (পরবর্তীকালে তোলারাম কলেজ)-এর অধ্যক্ষ পদ গ্রহণ করেন। নেপাল নাগ এ সময় জ্যোতি বসু প্রমুখের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠনের সম্মেলনে (ওখঙ) যোগ দেন। তবে মাত্র এক বছর ঢাকায় কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্যে কাজ করতে পেরেছিল।

১৯৪৮ সালের অক্টোবরে মুসলিম লীগ সরকার পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং চরম দমন-পীড়ন, নির্যাতন শুরু করে। ফলে কমরেডদের আত্মগোপনে যেতে হয়, তখন নিবেদিতা নাগসহ অনেকেই গ্রেপ্তার হন। এই সময় থেকেই নেপাল নাগ হয়ে ওঠেন রহমান ভাই এবং নিবেদিতার নাম হয় রিজিয়া। সে সময় এক ধার্মিক মুসলমান পরিবাররূপে পূর্ব-পাকিস্তানের ভয়ানক পরিবেশে তারা সপরিবারে পার্টির কাজ করেছেন। বিশেষ করে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে ঢাকার ছাত্র সমাজকে প্রচার আন্দোলনে সবরকম সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছেন। এই সময় নেপাল নাগ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হন। তিনি ডায়াবেটিস-এ আক্রান্ত হন ১৯৩৬ সালে হিজলী জেলে বন্দি থাকাকালীন সময়ে।

১৯৩৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত- ২৪ বছরের অধিকাংশ সময়েই দারিদ্র্যের অভিঘাতে নিদারুণ অনিয়মের কারণে মাঝে মাঝে তাঁর কোমা হতে শুরু করে। তার সাথে যক্ষ্মা নেপাল নাগকে সম্পূর্ণ কাবু করে ফেলেছিল। ওই অবস্থায় একবার আত্মগোপন অবস্থায় কিডনির স্টোনের ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে নেপাল নাগ একটি চিরকুটে লিখতে পেরেছিলেন। “জীবন-মৃত্যুর এই সন্ধিক্ষণে নিজেকে জিজ্ঞাসা করিতেছি- আমার এই জীবনে কি কোনো আফসোস আছে? আছে। তাহা হইতেছে আদর্শকে যথাযথভাবে রূপ দিতে পারি নাই। পার্টির প্রতি ভালোবাসা অটুট আছে-সব চাইতে প্রিয় পার্টি। অগাধ বিশ্বাস, আমার আশা পূর্ণ হইবেই–এই দেশেও প্রতিষ্ঠিত হইবে সাম্যবাদী সমাজ। অনাগত ভবিষ্যতের কমরেডদের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা থাকিল।”

১৯৫৫ সালের পর থেকে নিবেদিতা পশ্চিমবঙ্গেই পাকাপাকি চলে এলেন জীবন-জীবিকা ও পার্টির কাজের দায়িত্ব নিয়ে। গুরুতর অসুস্থ শরীরে ১৯৫৮ সালে কলকাতায় যান নেপাল নাগ। তখন তিনি দুরারোগ্য অসুখে আক্রান্ত। নেপাল নাগ চিকিৎসার জন্যে ১৯৫৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মস্কো যান। ১৯৬১ সালে মস্কোতে অনুষ্ঠিত ৮১তম পার্টি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি যোগ দেন এবং ফেরার পরে প্রাগে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে লন্ডনে কমিউনিস্ট নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয়েছিলেন। ১৯৬৪ সালে যখন পুনরায় অসুস্থ অবস্থায় নেপাল নাগ ঢাকা থেকে পাকাপাকিভাবে কলকাতায় চলে গেলেন, তখন রাজনীতি করার অপরাধে নিবেদিতার চাকরি চলে গেছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল থেকে। কিছু দিন নেপাল নাগ পোলট্রি করে সংসার প্রতিপালনের চেষ্টা করেছিলেন। নিবেদিতা অবশ্য কিছু দিনের মধ্যে হালতু হাইস্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু সক্রিয়ভাবে রাজনীতির কাজে যোগদানের শারীরিক ক্ষমতা নেপাল নাগের আর ছিল না। ১৯৭৮ সালের ভয়াবহ বন্যার দিনগুলোতে নেপাল নাগের শারীরিক অবস্থার অবনতি শুরু হয়। প্রায়শই আক্রান্ত হন কোমাতে। মাঝেমধ্যে জ্ঞান ফিরে আসে। এভাবেই এসে গেল ৪ অক্টোবরের মধ্যরাত পেরিয়ে ৫ অক্টোবর। রাত দুটো বেজে গেল। ধীরে ধীরে হাসিভরা মুখখানার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল। তার জীবনাবসানের সাত দিনের মাথায় ১১ অক্টোবর ১৯৭৮ পারিবারিক বাস ভবন ৯-ডি দরগা রোডের প্রাঙ্গণে যে প্রথম স্মরণসভা আয়োজিত হয়েছিল- সেই সভার শোক প্রস্তাবে বলা হয়েছিল- “এই মানুষটি তার বিপ্লবী সত্তা ও উজ্জ্বল প্রাণস্পন্দন- আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করে যেতে পেরেছেন।”

লেখক: রাজনীতিক ও কলামিস্ট। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.