বামপন্থি শক্তির উত্থান ছাড়া সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়

দ্বাদশ কংগ্রেসের উদ্বোধনী সমাবেশে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের বক্তব্য

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেসের উদ্বোধনী অধিবেশনে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানাচ্ছি বিপ্লবী অভিবাদন ও লাল সালাম।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মেহনতি মানুষের পার্টি, শোষিত নিপীড়িত মানুষের পার্টি। কমিউনিস্ট পার্টি ইনসাফের পার্টি, বিপ্লবের পার্টি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের বিপ্লবী মতাদর্শে পরিচালিত হয়ে মুক্ত মানুষের মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার সুমহান লক্ষ্যে এই পার্টি কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি এই পার্টি দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকগুলোতে লড়াই করেছে, অনেক ক্ষেত্রে নিয়ামক ভূমিকা পালন করেছে। দেশের জন্য, দেশের মেহনতি মানুষের স্বার্থরক্ষার জন্য পার্টির অগণিত কমরেড জীবন দিয়েছেন, লাখো কমরেড নিজের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করেছেন, জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাঁদের সংগ্রাম, সাধনা ও আত্মত্যাগকে আমরা বৃথা যেতে দেব না। তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

কংগ্রেসের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে আমরা সেইসঙ্গে গোটা বিশ্বের শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যাঁরা সাম্রাজ্যবাদ-আধিপত্যবাদ-শোষণ-বঞ্চনা-নিপীড়নের বিরুদ্ধে ও সাম্য-শান্তি-স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-প্রগতির জন্য যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের সবাইকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

ভাই ও বোনেরা,

এবার ছিল মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী বছর। মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বে ও সশস্ত্র সংগ্রামকালে আমাদের পার্টি অনন্য অবদান রেখেছিল। দেশের কৃষক-শ্রমিক-ক্ষেতমজুর-ছাত্র-তরুণরা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সেদিন মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাঁদের সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। জনগণ প্রতারিত হয়েছে।

বুর্জোয়া দল ও শক্তিগুলো মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য অর্জন ভুলুণ্ঠিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ধারাকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। কিন্তু আমরা তার অবমাননা মেনে নেব না। অন্যরা সে ঝান্ডা পরিত্যাগ করতে পারে কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টি নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ঝান্ডাকে সমুন্নত রেখেছে। ‘ভিশন’ মুক্তিযুদ্ধ’-কে বাস্তবায়ন করতে সে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যাবে। সেই সংগ্রামে পার্টি নেতৃত্ব দেবে। গণমানুষ ও কমিউনিস্ট পার্টিই এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ধারার আসল চ্যাম্পিয়ন।

বন্ধুগণ,

এক সংকটময় পরিস্থিতিতে আমরা এবারের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত করছি। করোনা-মহামারি গোটা বিশ্বের মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। এই মহামারি আরো একবার প্রমাণ করছে যে, বর্বর ও অমানবিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এ ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে অক্ষম। আমাদের দেশেও করেনাকালে যখন মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে, মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে, তখনও দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব থামেনি। এই সময়েও লুটেরা ধনিক শ্রেণি সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে।

দেশে এখন লুটপাটের রাজত্ব বহাল আছে। শোষণ-বৈষম্য-অনাচার ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। মানুষ আজ তার ভোটদানের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকারটুকুও হারিয়েছে। শাসকদল আওয়ামী লীগ জনসমর্থন হারিয়ে প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, ছলেবলেকৌশলে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়ে আছে।

এদিকে, বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালনে বিএনপিও চরমভাবে ব্যর্থ। তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে জোটসঙ্গী করেছে। ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের দুর্নীতি-লুটপাট-দুঃশাসনের কথাও মানুষ ভোলেনি। আজ রাজনীতিতে একটি বিপজ্জনক শূন্যতা বিরাজ করছে। এই শূন্যতা পূরণ করতে আমাদের পার্টিকে প্রস্তুত হতে হবে। দেশের অপরাপর বামপন্থী ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং জনগণের সক্রিয় সমর্থনে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য অর্থপূর্ণ ও কার্যকর প্রস্তুতি নিতে হবে। আমরা সেজন্য দেশবাসীর সমর্থন ও সহযোগিতা চাই।

ভাই ও বোনেরা,

সমাজদেহে ছড়িয়ে পড়েছে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প। আমরা বরাবরই এই অশুভ অন্ধকারের শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে লিপ্ত আছি। স্পষ্টভাবে আবার ঘোষণা করছি যে, নিজস্ব শক্তিসামর্থ্য নিয়োজিত করে এবং সমাজের সব প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।

সমবেত বন্ধুরা,

সুশাসন ও গণতন্ত্রের অভাব সত্ত্বেও আমাদের গার্মেন্ট শ্রমিক, প্রবাসী শ্রমিক, গরিব কৃষক, ক্ষেতমজুরসহ দেশের মেহনতি মানুষের এই প্রাণপ্রাচুর্যময় শ্রম-ঘাম-কর্মোদ্যম দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছে। এটিই আজ দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবার স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, জনগণের এই প্রাণান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ কাদের হাতে যাচ্ছে? দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষের বদলে এই ফসল যাচ্ছে মুষ্টিমেয় ১ শতাংশের ঘরে। লুটপাট ও চাটার দল আজ চতুর্দিকে।

এই ১ শতাংশ লুটেরা শ্রেণিই আজ নিয়ন্ত্রণ করছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতি। বাজার-অর্থনীতি জন্ম দিয়েছে বাজার রাজনীতির। চলছে বাণিজ্যিকীকরণ, পণ্যায়ন, প্রদর্শনবাদ, ভোগবাদ। একইসঙ্গে চলছে ‘হালুয়া-রুটির রাজনীতি’র দাপট। এসবের ফলশ্রুতিতে নীতি, আদর্শ সমাজে মূল্যবোধের বিপজ্জনক অধোগতি ঘটে চলেছে। হত্যা-খুন-ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়ে চলছে। নারী নির্যাতন বাড়ছে, বাড়ছে নারী ও শিশু হত্যার সংখ্যা। বিচার মিলছে না অপরাধের। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এক ধরনের মাফিয়াতন্ত্র গড়ে উঠেছে। দলের পান্ডারা অঘোষিত ইনডেমনিটি পেয়ে চলছে। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, আদিবাসীদের ওপর নিপীড়ন বেড়েই চলেছে। দেশে চলছে চরম অরাজকতাপূর্ণ এক রুগ্ণ পরিস্থিতি।

সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো নানাভাবে দেশের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বেপরোয়া লুটপাট চালাচ্ছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে ও ‘কমিশনে’র লোভে এসব শক্তির সঙ্গে সরকার গাঁটছাড়া বেঁধেছে। ‘উন্নয়ন’-এর বুলি আউড়ে প্রাণ-প্রকৃতিকে ধ্বংস করার উদ্যোগ নিতে তারা দ্বিধাবোধ করছে না। জনগণের দৈনন্দিন জীবন-জীবিকার সংকট, সমস্যা, অনিশ্চয়তা, যন্ত্রণা তার অস্তিত্বকেই কঠিন করে তুলেছে। এর মাঝেই আবার জ্বালানি তেল, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য লাফিয়ে বাড়ছে। বাড়ছে বেকারত্ব। মানুষের জীবন রক্ষাই দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বুর্জোয়া শাসনের পরিণতি এ রকমই। দেশবাসী আর এই দুঃশাসন দেখতে চায় না। তারা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি দেখতে চায়।

সমবেত ভাই ও বোনেরা,

আমাদের দেশ বিশ্বের ঘটনাপ্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো আমাদের দেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য জোরদার করে চলেছে। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব কাটাতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে শোষণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। পাশাপাশি তারা তাদের নিজ দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করছে। বিশ্বজুড়ে মৌলবাদী ও বর্ণবাদী উগ্র ডানপন্থার ফ্যাসিবাদী মতবাদ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তবে একইসঙ্গে গোটা বিশ্বে পুঁজিবাদী নয়া উদারনীতিবাদ, মুক্তবাজার ও একচেটিয়া পুঁজির কর্পোরেট শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামও জোরদার হচ্ছে।

মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বেশ কিছুদিন ধরেই এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকাকে তার তৎপরতার প্রধান ক্ষেত্র বানিয়েছে। ‘চীনকে ঠেকাও’-এই উদ্দেশ্য নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় তারা অবস্থান নিতে চায়। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো উপমহাদেশে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরো নিরঙ্কুশ করতে চায়। বাংলাদেশ ও বঙ্গোপসাগর তাই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট অঞ্চল হয়ে উঠেছে।

বন্ধুগণ,

ক্ষমতাসীনরা আজ জনসমর্থন হারিয়েছে। অথচ গোষ্ঠীগত লুটপাটের স্বার্থে এবং কৃত অপরাধের বিচার থেকে রেহাই পেতে তারা জবরদস্তিমূলকভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। জনসমর্থনের বদলে, এমনকি দলীয় রাজনৈতিক শক্তির ওপর নির্ভর করার বদলে, প্রধানত আমলাতন্ত্রসহ রাষ্ট্রযন্ত্রকে অবলম্বন করে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা আজ স্থাপন করেছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা কালাকানুন জারী করে মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করে রাখা হয়েছে। গুম, খুন, জেল, জুলুমের সন্ত্রাসী শাসন কায়েম করা হয়েছে। দেশে এখন ‘ভয় ও লোভের’ রাজত্ব চলছে। সামরিক কর্তৃত্বকে রক্ত দিয়ে প্রতিহত করে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলাম। গণতন্ত্রকে আজ হরণ করা হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনকে আজ প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে।

জনগণের সামনে এখন চারটি প্রধান বিপদ। সাম্প্রদায়িকতা, সাম্রাজ্যবাদ, লুটপাটতন্ত্র ও গণতন্ত্রহীনতা। বিচ্ছিন্নভাবে এই চার শত্রুকে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এই চার শত্রুর কোনোটিকে বেশি বা কোনোটিকে কম গুরুত্ব দেওয়ারও সুযোগ নেই, কেননা এরা একে অপরের পরিপূরক। এজন্য এই চার শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের একইসঙ্গে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

এই অবস্থা থেকে দেশকে উদ্ধার করতে হবে। বর্তমান আওয়ামী দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে হবে। লুটপাটতন্ত্র, গণতন্ত্রহীনতা, সাম্প্রদায়িকতা, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যের ‘ব্যবস্থা’ বদলাতে হবে। দুই বুর্জোয়া দলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দ্বি-দলীয় কাঠামোর বাইরে বিকল্প বাম-গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে। সে কাজে আমাদের পার্টি তার উদ্যোগী ও অগ্রণী ভূমিকা আরো জোরদার করবে।

সমাজ ও রাজনীতিতে বিকল্প বাম-গণতান্ত্রিক শক্তির দৃশ্যমান ও কার্যকর উপস্থিতি নিশ্চিত করা আজ জরুরি কর্তব্য। আজ সময় এসেছে বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প শক্তিকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার ক্ষেত্র প্রস্তুতের কাজটিকে সুনির্দিষ্টভাবে ও গুরুত্বের সঙ্গে হাতে নেয়ার। কংগ্রেসের মধ্যদিয়ে আমাদের পার্টি আরো জোরেসোরে সেই কাজে নেমে পড়ব। বিকল্প গড়ার এই কাজে সামিল হওয়ার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

বন্ধুগণ,

দেশের মানুষ বুর্জোয়া রাজনীতির প্রতারণা ও দুঃশাসনে আজ অতিষ্ঠ। তারা এই জাঁতাকল থেকে মুক্ত হতে চায়। এই অসহনীয় পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে। দেশকে সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, স্বাধীন জাতীয় বিকাশের ধারায় পরিচালিত করে ৯৯ শতাংশ মানুষের ঘরে ঘরে সুখ, শান্তি, নিরাপত্তা, অধিকার, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে বাঁচাতে হবে। এটিই পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জিং কর্তব্য। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সফলতা ছিনিয়ে আনতে হবে। আমি উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানাই-আসুন, দশের সব কমিউনিস্ট ঐক্যবদ্ধ হই। আসুন, বামপন্থীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। দ্বি-দলীয় ধারার বাইরে দেশের সকল বাম, প্রগতিশীল ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও শক্তিকে আহ্বান জানাই-আসুন, পরিবর্তনের জন্য বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলি। সংকীর্ণতার ঊর্র্ধ্বে উঠে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে অগ্রসর হই। বামপন্থী শক্তির উত্থান ছাড়া বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়।

আসুন, ‘ভিশন মুক্তিযুদ্ধের’ অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করি। মনে রাখবেন-‘এই দিনই দিন নয়, আরো দিন আছে’। জনগণের শক্তির বিজয় অনিবার্য।

ধন্যবাদ। লাল সালাম। বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.