পর্তুগালে নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টির বিপুল জয়

একতা টিভি অনলাইন ডেস্ক:

ইউরোপের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের দেশ পর্তুগালে সোশ্যালিস্ট পার্টি বিপুল জয় অর্জন করেছে।

নির্বাচন নিয়ে তরুণ পর্তুগিজ নাগরিকদের মধ্যে আগ্রহ কম থাকায় নির্বাচনে সর্বমোট ৪৫.৫০ ভাগ ভোট পড়েছে। প্রথমবারের মতো বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পর্তুগিজ নাগরিক তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন। দেশটির পার্লামেন্টের ২৩০টি আসনের মধ্যে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৬টি আসন।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার নেতৃত্বে পর্তুগাল সোশ্যালিস্ট পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়া পুনরায় নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ৬ অক্টোবর দেশটির ১৬তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৩০টি আসনে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

এর মাঝে ক্ষমতাসীন সোশ্যালিষ্ট পার্টি ৩৬.৬৫ ভাগ ভোটে ১০৬ টি আসন পায় যা গত নির্বাচনের চেয়ে ২০টি আসন বেশি, প্রধান বিরোধীদল পিএসডি ২৭.৯০ ভাগ ভোটে ৭৭টি আসন পায়, যা গত নির্বাচনের চেয়ে ২৫টি কম, বাম ব্লক এসকেরডা ১৯টি, পর্তুগিজ কমিউনিস্ট পার্টি ১২টি, সিডিএস ৫টি, পান ৪টি ও অন্যান্য দল ৩টি এবং অমীমাংসিত রয়েছে ৪টি আসন।

নির্বাচনের আগ মুহূর্তের জরিপে ৪৩.৭% ভোট পাবে পর্তুগাল সোশ্যালিস্ট পার্টি। তাই এবারের নির্বাচনে এককভাবে সরকার গঠনের প্রত্যাশা করছিলেন ক্ষমতাসীন ও অভিবাসনবান্ধব দল পিএস। কিন্তু ভোটের রাজনীতি আর ফলাফলে তাদের ক্ষমতায় ফিরতে আবারও জোটবদ্ধ হতে হবে বলে ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।

তবে পূর্বের মিত্র অভিবাসনবান্ধব আরেক দল বাম ব্লক এসকেরডার প্রধান ক্যাটরিনা মাটিনস রাতেই ঘোষণা দেন সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে পুনরায় জোট সরকার গঠনের। পর্তুগালের জনগণ এবং এখানে অবস্থানরত অভিবাসীরা নতুন সরকার এবং সোশালিস্ট পার্টিকে এই জয়ে স্বাগত জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (পিএসডি) সর্বাধিক ১০২টি আসনে ভোটে জয় পেয়েছিল, তবে ছোট বামপন্থি দলগুলির সাথে জোট গঠন করে সেই সময় আন্তোনিও কস্তার নেতৃত্বে সোশ্যালিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসে। আর এর ফলে ব্যাপক উন্নতি হয় পর্তুগালের অর্থনীতির। সেই সঙ্গে সরকারি খাতের মজুরি ও পেনশন খাতে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়।

১৯১০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালে রাজতন্ত্র প্রচলিত ছিল। এর পরবর্তী বছরগুলি ছিল খুব অশান্ত। ১৯২৬ সালে ক্যু-এর মাধ্যমে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এটি পাঁচ দশক ধরে পর্তুগাল শাসন করে। ১৯৬০-এর দশকে আফ্রিকাতে ঔপনিবেশিক যুদ্ধের কারণে পর্তুগালের সম্পদ হ্রাস পায় এবং জাতীয় অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

১৯৭৪ সালে পর্তুগালে একটি বিপ্লব ঘটে এবং একটি সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসে। ১৯৭৫ সালে পর্তুগাল তার সমস্ত আফ্রিকান উপনিবেশকে স্বাধীনতা দেয়। ১৯৭৬ সালে প্রণীত নতুন সংবিধানে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তখন থেকে পর্তুগাল ইউরোপের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করেছে এবং অর্থনীতির আধুনিকায়নে জোর দিয়েছে। পর্তুগাল ১৯৮৬ সালে ইউরোপীয় সম্প্রদায়ে (পরবর্তীকালে যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিণত হয়) যোগদান করে এবং ১৯৯৯ সালে মুদ্রা হিসেবে ইউরো-কে গ্রহণ করে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মত সোশ্যাল ডেমোক্রেটরা ভোটে এগিয়ে থেকেও সরকার গঠন করতে পারেনি। সে সময় সমাজতান্ত্রিক দল অন্য কিছু ছোট ছোট বাম দলকে সাথে নিয়ে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।
ইউরোপের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের দেশ পর্তুগালে সমাজতান্ত্রিক দল বিপুল জয় অর্জন করেছে।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার নেতৃত্বে পর্তুগাল সোশ্যালিস্ট পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়া পুনরায় নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ৬ অক্টোবর দেশটির ১৬তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৩০টি আসনে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

নির্বাচন নিয়ে তরুণ পর্তুগিজ নাগরিকদের মধ্যে আগ্রহ কম থাকায় নির্বাচনে সর্বমোট ৪৫.৫০ ভাগ ভোট পড়েছে। প্রথমবারের মতো বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পর্তুগিজ নাগরিক তাদের ভোট প্রয়োগ করেছেন। দেশটির পার্লামেন্টের ২৩০টি আসনের মধ্যে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৬টি আসন।

এর মাঝে ক্ষমতাসীন সোশ্যালিষ্ট পার্টি ৩৬.৬৫ ভাগ ভোটে ১০৬ টি আসন পায় যা গত নির্বাচনের চেয়ে ২০টি আসন বেশি, প্রধান বিরোধীদল পিএসডি ২৭.৯০ ভাগ ভোটে ৭৭টি আসন পায়, যা গত নির্বাচনের চেয়ে ২৫টি কম, বাম ব্লক এসকেরডা ১৯টি, পর্তুগিজ কমিউনিস্ট পার্টি ১২টি, সিডিএস ৫টি, পান ৪টি ও অন্যান্য দল ৩টি এবং অমীমাংসিত রয়েছে ৪টি আসন।

নির্বাচনের আগ মুহূর্তের জরিপে ৪৩.৭% ভোট পাবে পর্তুগাল সোশ্যালিস্ট পার্টি। তাই এবারের নির্বাচনে এককভাবে সরকার গঠনের প্রত্যাশা করছিলেন ক্ষমতাসীন ও অভিবাসনবান্ধব দল পিএস। কিন্তু ভোটের রাজনীতি আর ফলাফলে তাদের ক্ষমতায় ফিরতে আবারও জোটবদ্ধ হতে হবে বলে ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।

তবে পূর্বের মিত্র অভিবাসনবান্ধব আরেক দল বাম ব্লক এসকেরডার প্রধান ক্যাটরিনা মাটিনস রাতেই ঘোষণা দেন সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে পুনরায় জোট সরকার গঠনের। পর্তুগালের জনগণ এবং এখানে অবস্থানরত অভিবাসীরা নতুন সরকার এবং সোশালিস্ট পার্টিকে এই জয়ে স্বাগত জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (পিএসডি) সর্বাধিক ১০২টি আসনে ভোটে জয় পেয়েছিল, তবে ছোট বামপন্থি দলগুলির সাথে জোট গঠন করে সেই সময় আন্তোনিও কস্তার নেতৃত্বে সোশ্যালিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসে। আর এর ফলে ব্যাপক উন্নতি হয় পর্তুগালের অর্থনীতির। সেই সঙ্গে সরকারি খাতের মজুরি ও পেনশন খাতে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়।

১৯১০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালে রাজতন্ত্র প্রচলিত ছিল। এর পরবর্তী বছরগুলি ছিল খুব অশান্ত। ১৯২৬ সালে ক্যু-এর মাধ্যমে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এটি পাঁচ দশক ধরে পর্তুগাল শাসন করে। ১৯৬০-এর দশকে আফ্রিকাতে ঔপনিবেশিক যুদ্ধের কারণে পর্তুগালের সম্পদ হ্রাস পায় এবং জাতীয় অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

১৯৭৪ সালে পর্তুগালে একটি বিপ্লব ঘটে এবং একটি সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসে। ১৯৭৫ সালে পর্তুগাল তার সমস্ত আফ্রিকান উপনিবেশকে স্বাধীনতা দেয়। ১৯৭৬ সালে প্রণীত নতুন সংবিধানে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তখন থেকে পর্তুগাল ইউরোপের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করেছে এবং অর্থনীতির আধুনিকায়নে জোর দিয়েছে। পর্তুগাল ১৯৮৬ সালে ইউরোপীয় সম্প্রদায়ে (পরবর্তীকালে যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিণত হয়) যোগদান করে এবং ১৯৯৯ সালে মুদ্রা হিসেবে ইউরো-কে গ্রহণ করে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মত সোশ্যাল ডেমোক্রেটরা ভোটে এগিয়ে থেকেও সরকার গঠন করতে পারেনি। সে সময় সমাজতান্ত্রিক দল অন্য কিছু ছোট ছোট বাম দলকে সাথে নিয়ে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.