নদীর দেশ বাংলাদেশ, নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে

মোহাম্মদ শাহ আলম :

ভারতের সাথে ৫৭টি অভিন্ন নদী রয়েছে বাংলাদেশের। ৫৪টির পানিপ্রবাহ নিয়ে ভারত নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। কোনো প্রকার পূর্ব সমঝোতা ছাড়া ভারত ১৯৫১ সালে আন্তঃদেশীয় গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ শুরু করে। নদীর প্রবাহ রুদ্ধ হওয়ার ফলে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, আবহাওয়া, জলবায়ু, কৃষি, মৎস্য, জীববৈচিত্র ও নৌপরিবহন ব্যবস্থা সংকটের সম্মুখীন হয়। ফলে শুকনা মৌসুমে পানিশূন্যতা, বর্ষায় বন্যা, দুইভাবে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বছরের পর বছর। ফারাক্কার কারণে এইবার ভারতের বিহার রাজ্য বন্যায় ডুবেছে, ৫০-এরও অধিক মারা গেছেন। বিজেপি’র মন্ত্রী বলেছে, ‘ফারাক্কার কোনো প্রয়োজন নেই, ফারাক্কা ভেঙে দাও’। দুই দেশের জন্যই যে ফারাক্কা বাঁধ ক্ষতিকর বিজেপি’র মন্ত্রীর বক্তব্যে তা প্রমাণ হয়।

বর্তমানে পৃথিবীর এক বিলিয়নের বেশি জনগোষ্ঠী সুপেয় পানি ও ন্যূনতম স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আশংকা করা হচ্ছে ২০২৫ সাল নাগাদ সারা বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী সুপেয় পানির তীব্র সংকটে পড়বে। বিশ্বব্যাংকের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সেরাজেলদিন অদূর ভবিষতের পৃথিবীর এই পানি সংকটের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে তাই যথার্থই মন্তব্য করেছেন, ‘আগামী শতকের বিশ্বযুদ্ধ হবে পানির ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে’।

আন্তর্জাতিক নদীর পানি বণ্টন ও ভাগাভাগি নিয়ে দেশে দেশে যে বিরোধ বিদ্যমান তার মধ্যে অন্যতম হল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদী পানি বণ্টন সংক্রান্ত বিরোধ। আন্তর্জাতিক পানি আইন এবং এ সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে যতগুলো আন্তর্জাতিকমানের গবেষণা হয়েছে তার প্রায় অনেকগুলোতেই গঙ্গার পানি নিয়ে বিরোধের প্রসঙ্গটি বারবার আলোচিত হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে এই দুই দেশের মধ্যকার পানি বণ্টনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টি ও মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়েছে।

গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত মূলতঃ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের আগে ভারত কর্তৃক ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে। ১৯৫১ সালে প্রথমবারের মত পাকিস্তান সরকার ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের ভারতীয় সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারে এবং এ ধরনের সিদ্ধান্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে– এই মর্মে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের কাছে আপত্তি জানানো হয়। ১৯৫১ থেকে ১৯৭০ এই প্রায় দুই দশক ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও তথ্যের আদান প্রদান ঘটলেও কার্যকর কোনো সমাধানে তারা পৌঁছাতে পারেনি। ১৯৭০ সাল নাগাদ ফারাক্কা ব্যারেজের নির্মাণকাজ শেষ হয়।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের মধ্যে পুনরায় এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং ১৯৭৫ এর এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে ফারাক্কা ব্যারেজ সাময়িকভাবে চালু করার ব্যাপারে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা ব্যারেজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে এক মাস দশ দিনের (২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে ১৯৭৫) জন্য চালু করার কথা ছিল। ঐ একই চুক্তি মোতাবেক সাময়িক কার্যক্রম শেষে ব্যারেজের পরবর্তী কার্যক্রম দুই দেশের মধ্যকার পারস্পারিক সমঝোতার ভিত্তিতে শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ভারত ফারাক্কা ব্যারেজের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। ভারতের এই একতরফা সিদ্ধান্ত ছিল দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। দীর্ঘ দুই দশকের আলোচনায় সাফল্য ও ব্যর্থতার চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারত গঙ্গার পানি বণ্টন সংক্রান্ত একটি ৩০ বছর মেয়াদী চুক্তি সম্পাদন করে। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তিকে তাদের একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সাফল্য বিবেচনা করলেও আইনগত বিচারে চুক্তিটির নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো হল:

ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের পূর্বে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পদ্মার যে পানিপ্রবাহ ছিল, ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য পানির হিস্যা তা থেকে অন্তত ৫০ শতাংশ কম;

ফারাক্কায় পানি প্রবাহ বেশি মাত্রায় কমে গেলে বাংলাদেশ ন্যূনতম কত শতাংশ পানি পাবে– সে সংক্রান্ত কোনো গ্যারান্টি ক্লজ চুক্তিটিতে নেই;

চুক্তিটির দুই পক্ষের মধ্যে কোনো বিরোধের সূচনা হলে তার মীমাংসা কীভাবে হবে– সে সংক্রান্ত কোন দিক-নির্দেশনা বা আরবিট্রেশন ক্লজ চুক্তিটিতে নেই;

চুক্তির পালন বা বাস্তবায়নে যৌথ নদী কমিশনকে কোনো কার্যকর ভূমিকা বা ক্ষমতা দেওয়া হয়নি;

চুক্তিটিতে শুধুমাত্র পানির প্রবাহ বিষয়ে বলা হয়েছে। কিন্তু পরিবেশগত বিবেচনায় প্রবাহের পাশাপাশি পানির গুণাগুন এবং ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ, যার কোনো প্রতিফলন ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে নেই। ১৯৯৬ সালের ফারাক্কা চুক্তির ২৪ বছর অতিবাহিত হলেও ওই সীমাবদ্ধতাগুলোকে কাটিয়ে ওঠার জন্য কোনো পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নেয়া হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের যে পরিমাণ পানি পাওয়ার কথা ছিল তা পাওয়া যায়নি। পানির হিস্যা চুক্তি অনুযায়ী বন্টিত হচ্ছে কিনা– তা নিয়ে এখনও দুই দেশের অবস্থান অভিন্ন নয়। ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৯ এর মাধ্যমে চুক্তির উভয় পক্ষ তথা বাংলাদেশ ও ভারত সম্মত হয় যে, দুই দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহমান অন্যান্য যৌথ নদীগুলোর পানি বণ্টন ও ব্যবহার দুই দেশের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই হবে এবং এক্ষেত্রে তারা সমতা, ন্যায়পরায়ণতা ও একে অপরের ক্ষতি সাধন না করার নীতি দ্বারা পরিচালিত হবে। কিন্তু বাস্তবতা এক্ষেত্রে সম্প্র্ণূ ভিন্ন। এক ফারাক্কা বাঁধের অপূরণীয় ক্ষতি সামলে উঠার আগেই বাংলাদেশ এখন মুখোমুখি হচ্ছে টিপাইমুখ বাঁধ, আন্তঃনদীসংযোগ প্রকল্প, ৫৩টি অভিন্ন নদীতে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা এবং গত কয়েক বছর ধরে ব্যাপক আলোচিত তিস্তা নদীর ব্যবহার নিয়ে ভারতের একচ্ছত্র ও একতরফা পরিকল্পনা যা কিনা ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৯ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

যৌথ ও অভিন্ন নদীর ব্যবহার ও বণ্টন বিষয়ক যে আন্তর্জাতিক আইনগুলো রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আইন হলো– ১৯৯৭ সালের Convention on the Lwa of the Non-Navigational Uses of International Watercourses, ১৯৯২ সালের Convention on the Protection and Use of Transboundary Watercourses and International Lakes, ১৯৯৬ সালের Helsinki Rules on the Uses of the Water Pollution in an International Drainage Basin এবং ১৯৮৬ সালের Rules on International Ground water। এছাড়া আঞ্চলিক ও দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে আরও বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তিগুলোতে যৌথ ও অভিন্ন নদীর পানি ব্যবহার ও বণ্টনের কিছু সর্বজনস্বীকৃত নীতি বারবার উচ্চারিত হয়েছে। এই নীতিগুলো হলো Principle of Equitable Utili“ation বা ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গতভাবে নদী ব্যবহারের অধিকার, Principle of No Significant Harm বা নদীর পানিকে এমনভাবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা যাতে করে অন্য রাষ্ট্রের পানি ব্যবহারের অধিকার বা সেখানকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, Obligation of Prior Notification, Consultation and Exchange of Information অর্থাৎ যৌথ ও অভিন্ন নদীকেন্দ্রিক কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হলে তার সম্পর্কে অপর রাষ্ট্রকে অবহিত করা, তথ্য আদান-প্রদান করা এবং অপর রাষ্ট্রের ঐ বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার দায়িত্ব ইত্যাদি। ভারত তিস্তার উপর নির্মিত ‘গজলডোবা ব্যারাজে’ পানি আটকে মহানন্দানদী দিয়ে বিহারের মেচী নদীতে সেই পানি তারা সরিয়ে নিচ্ছে এবং এই প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প (প্রকৃতপক্ষে বেসিন সংযোগ প্রকল্প) কে ৩০টি সংযোগ খাল খননের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে, তার একটি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার যৌথ নদীগুলো নিয়ে ভারতের একের পর এক আগ্রাসী পদক্ষেপে বিভিন্ন সময় দাবি উঠেছে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ফোরাম অথবা আন্তর্জাতিক আদালত বা ট্রাইব্যুনালে নিয়ে যাওয়ার। বাংলাদেশ ফারাক্কা ইস্যুটি নিয়ে জাতিসংঘের মত বৃহৎ ফোরামে গিয়েছে এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থানের স্বপক্ষে প্রস্তাবনাও গৃহীত হয়েছে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে পানি বিরোধের বিষয়টিকে বরাবরই দ্বিপাক্ষিক সমস্যা বলে চালিয়ে এসেছে এবং দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধানের কথা বলেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাংলাদেশ ভারতের সাথে কার্যকর কোনো সমাধানে আসতে পারেনি। তাই সময় এসেছে বিষয়টিকে আরেকবার আন্তর্জাতিক ফোরামে নিয়ে যাওয়ার। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আদালত বা আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল হতে পারতো সবচেয়ে কার্যকরী ফোরাম। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কোনো বিষয়ে দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধ আন্তর্জাতিক আদালত অথবা আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মীমাংসা করতে হলে বিরোধে জড়িত দুই দেশেরই সম্মতির প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের জন্য ভারতের সম্মতি অর্জন যে এক্ষেত্রে অত্যন্ত দূরুহ কাজ হবে তা বলাই বাহুল্য। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের দাবির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৭ সালের কনভেনশনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এখন শুধু অপেক্ষা কনভেনশনটি প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাষ্ট্র কর্তৃক অনুস্বাক্ষরিত হওয়ার। ১৯৯৭ সালের কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী কনভেনশনটি পক্ষ রাষ্ট্রদের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হওয়ার জন্য ৩৫টি দেশের অনুস্বাক্ষর প্রয়োজন। বর্তমানে কনভেনশনটি অনুস্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা ৩৪টি, অর্থাৎ আর একটি মাত্র দেশ কনভেনশনটি অনুস্বাক্ষর করলেই এটি পক্ষরাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণকারী একটি আইনে পরিণত হবে। বাংলাদেশ কি ৩৫তম অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হয়ে দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা এবং পরিবেশ রক্ষার জরুরি পদক্ষেপটি নেবে? বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহমান অভিন্ন নদীগুলোর ব্যবহার নিয়ে ভারতের বিভিন্ন আগ্রাসী পদক্ষেপ ১৯৯৭ সালের কনভেনশনের একাধিক অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন তথা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। বাংলাদেশ সরকারের দেশপ্রেমিক দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো ১৯৯৭ সালের আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করা। সার্বিক বিবেচনায় আলোচ্য কনভেশনটি আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের উপর ভাটির দেশের অধিকারের একটি রক্ষাকবচ। আন্তর্জাতিক আইনে নিরষ্কুশ সার্বভৌমত্বের প্রাচীন ধারণার সমর্থকরা আন্তর্জাতিক পানিপ্রবাহের উপর একচেটিয়া কর্তৃত্বের যে অযৌক্তিক ধারা বজায় রেখে ভাটির দেশসমূহকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়, আলোচ্য কনভেনশনটি তার বিরুদ্ধে আধুনিক বিশ্ববিবেকের এক সম্মিলিত প্রতিবাদ। আমাদের এ কনভেনশন অবিলম্বে অনুসমর্থন করা উচিত প্রথমত এ জন্য যে, এটি ন্যায্য। দ্বিতীয়ত এ জন্য যে, এটি প্রকৃতিকে রক্ষার পক্ষে। তৃতীয়ত এ জন্য যে, আধুনিক বিশ্বচেতনা এর পক্ষে। প্রধানমন্ত্রী ৫ অক্টোবর ভারতে গেলেন, দিলেন- কিন্তু পেলেন কি? মানুষ জানতে চায়। চুক্তির বিষয়বস্তু দেশবাসীকে জানানো উচিত। আলাপ-আলোচনা প্রয়োজন। দু’দেশের সাধারণ মানুষের পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার ভিত্তিতে সহযোগিতা প্রয়োজন। কিন্তু ভারতের বৃহৎপুঁজির স্বার্থরক্ষাকারী সাম্প্রদায়িক সরকারের মর্জির উপর নির্ভর করে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা সম্ভব নয়।

লেখক: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

Leave a Reply