নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক: রিমান্ড শেষে কারাগারে শারমিন জাহান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক নেত্রী ও অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহানকে রিমান্ড শেষে কারগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

গত ২৫ জুলাই শারমিনকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ড শেষে তাকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক শাহ আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস।

গত ২৪ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে শারমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ছাত্রলীগের সাবেক এই নেত্রীর বিরুদ্ধে ২৩ জুলাই রাতে বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিএসএমএমইউ হাসপাতালে মাস্ক সরবরাহের অনুমতি পায় শারমিন জাহানের প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি নকল মাস্ক সরবরাহ করে। এ মাস্ক ব্যবহার করে চিকিৎসক ও রোগী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। একই সঙ্গে নকল মাস্ক সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের করা মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় চাকরি পান তিনি। তিনি মাস্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী।