দ্বাদশ কংগ্রেস সফল হোক

লক্ষ্মী চক্রবর্তী  

আমাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত দ্বাদশতম পার্টি কংগ্রেস (জাতীয় সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেসকে সুসম্পন্ন করার জন্য নানামুখী কার্যক্রম এরইমধ্যে সুচারুরূপে সংগঠিতভাবে শুরু হয়েছে। ২০২১ এর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পার্টির সদস্যপদ নবায়ন, শাখা সম্মেলনসমূহ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২২ এর জানুয়ারিতে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সমগ্র দেশের জেলা সম্মেলন সম্পন্ন হবে। এই সম্মেলনসমূহ থেকে নতুন যোগ্য নেতৃত্ব এবং পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচিত হচ্ছে।

আমরা সবাই অবগত আছি, সমগ্র পৃথিবীব্যাপী অভিশপ্ত করোনা ব্যাধি সংক্রমণের ফলে আমাদের দেশও আক্রান্ত হয়েছে। আমাদের দেশের অগণিত পার্টি কমরেড এই সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। বহু পার্টি কমরেডের জীবনাবসান হয়েছে। আমাদের পার্টির সম্মানীত সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকেই মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। আমাদের দেশের বহু বরেণ্য ব্যক্তি এই ভয়াল সংক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছেন।

সংগত কারণেই আমাদের পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেস অনিচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত হয়েছে। এরইমধ্যে আবার ‘অমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্ট থাবা বিস্তার করতে শুরু করেছে। এখনও আমাদের দেশে তার প্রভাব ব্যাপক না হলেও সরকারিভাবে নানান নিষেধাজ্ঞা জারি করা শুরু হয়েছে। আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, যে কোনো মূল্যে যে কোনো পরিস্থিতিতে আমাদের পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেস নির্ধারিত তারিখে সুসম্পন্ন করা প্রয়োজন। আমাদের এই পার্টি কংগ্রেস বহু সংগ্রামের, বহু কমরেডের ত্যাগের কালপর্বের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। পুরো পাকিস্তান পর্বে আমাদের পার্টি কখনো প্রকাশ্যে কাজ করতে পারেনি পাক সরকারের রোষানলে পড়ে। দেশভাগের পর পার্টি বেআইনি না হলেও কমিউনিস্টদের ওপর মুসলিম লীগের নিষ্পেশনের ফলে কার্যত সকল কার্যক্রম অপ্রকাশ্যেই করতে হয়েছে। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে অপসারিত করে ৯২ ‘ক’ ধারা জারির মাধ্যমে একটা সাম্প্রদায়িক, অগণতান্ত্রিক চরম ধনবৈষম্যপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের মানসে স্থায়ীভাবে সামরিক স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু করা হয় ১৯৫৮ সালে। আমাদের পার্টিকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়। ১৯৬১ সাল থেকে বহু বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছিল সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। সেই সংগ্রামের পটভূমিতে একপর্যায়ে ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে আমাদের পার্টির প্রথম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

তারপরের ইতিহাস আমাদের জানা। সেই পাকিস্তান সামরিক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে উৎপাটন করে আমাদের স্বদেশভূমি মুক্ত স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মদান, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে। স্বাধীন ভূমিতে ১৯৭৩ সালে পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেস এবং পরবর্তীতে আমরা পার্টির অনেক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অধ্যায় অতিক্রম করে বিচিত্র অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়ে ২০২২ সালের ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ তারিখে পার্টির দ্বাদশতম কংগ্রেসে মিলিত হচ্ছি। এরইমধ্যে আমাদের পার্টি কমরেডদের নিকট পার্টি কংগ্রেসে উত্থাপনের জন্য রাজনৈতিক প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় কমিটির রিপোর্ট এবং দ্বাদশ কংগ্রেসে গৃহীত ঘোষণা কর্মসূচি ও গঠনতন্ত্র ইত্যাদি উত্থাপনের জন্য বিষয়গুলো অবহিত করা হয়েছে। পার্টি কমরেডদের অভিমতসমূহ শাখা-উপজেলা-জেলা সম্মেলনের মাধ্যমে কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উত্থাপন করা হবে।

আমাদের পার্টি নেতৃত্বও জেলাসমূহের পার্টি কমরেডদের কাছে উল্লেখিত বিষয়সমূহ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রত্যেক কমরেডের বিবেচনার জন্য। আমাদের পার্টির পত্রিকা একতায় পার্টি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বিষয়সমূহের উপর অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

আমাদের দেশ এক জটিল এবং কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। শহীদের রক্ত ধারায়, বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বদেশ ভূমিকে স্বাধীন করেছি। আজ মুক্তিযুদ্ধে যারা বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম করেছেন তারা স্বাধীনতার অর্ধশতক পর জীবন সায়াহ্নে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যা অর্জন করেছিলাম তা আজ ভূলুণ্ঠিত হতে বসেছে।

কি জন্যে আমাদের দেশকে স্বাধীন করতে হয়েছিল? আমাদের বাংলাদেশের এই ভূখণ্ড সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরাধিকার। আমাদের পূর্বাঞ্চলের মানুষেরাও সুদীর্ঘ শত শত বছরব্যাপী জাতিগত, শ্রেণিগত লড়াই-সংগ্রাম করে এসেছে। বহু আত্মদানের বীরত্বপূর্ণ ফসল হচ্ছে এই স্বাধীন বাংলাদেশ। ব্রিটিশ রাজত্ব অবসানের একটি পর্বে পাকিস্তান নামক এক কৃত্রিম রাষ্ট্রব্যবস্থার সৃষ্টি হয়। যে রাষ্ট্র ছিল সাম্প্রদায়িক, অগণতান্ত্রিক, মূল্যবোধহীন, অবৈজ্ঞানিক এবং চরম নিষ্ঠুর ধনবৈষম্যপূর্ণ। এসবের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই করেই স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে।

পাকিস্তানী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছর লড়াই সংগ্রাম শেষে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংবিধানে ৪ রাষ্ট্রীয় নীতিতে দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিফলন হলো। প্রতিশ্রুত হলো- ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সমাজতন্ত্র। প্রকৃতপক্ষে বিপ্লবাত্মক পরিবর্তন; কিন্তু দুর্ভাগ্য জাতির। বঙ্গবন্ধুর গড়া দল তো আর বিপ্লবী দল নয়। চরম দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, লুটপাট ইত্যাদিতে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো দলটি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের ষড়ন্ত্রে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হলেন। আর এদিকে দেশ ক্রমাগত প্রতিক্রিয়াশীল পাকিস্তানি ভাবাদর্শের দিকে ধাবিত হলো। প্রতিক্রিয়াশীল সরকারগুলো দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত হলো রাষ্ট্রীয় ৪ নীতি। রাষ্ট্রের সাথে ধর্মের সংশ্লেষণ হলো, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ এলো, সমাজন্ত্র সম্পূর্ণভাবে নির্বাসিত হলো সেইসঙ্গে গণতন্ত্রও নির্বাসিত। ধনবৈষম্য হলো আরও তীব্র। কিছুদিনের জন্য গণতন্ত্রের আলো দেখা দিয়েছিল তাও ক্ষণিকের জন্য। ধীরে ধীরে কি বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগ কি বিএনপি সবাই প্রায় সম-আদর্শে চলতে শুরু করে। একটা সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর লুটেরা ধনগোষ্ঠী, সামরিক-বেসামরিক আমলা নির্ভর প্রশাসন, মানুষের অংশগ্রহণবিহীন নির্বাচন, সাম্প্রদায়িক শক্তির সাথে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ আঁতাত। এ রকম অশুভ আঁতাতের ফলে সাম্প্রদায়িক শক্তি আরও শক্তিমান হয়েছে। ধর্মীয় ভাবাদর্শ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে সর্বস্তরে।

সামরিক ছাউনির ছাত্রছায়ায় যে সমস্ত দল গঠিত হয়েছিল তাদের তো দেশের প্রতি জনগণের প্রতি কোন ধরনের দায়িত্ববোধ নেই। তারা গণতন্ত্রকে প্রাসাদবন্দি রেখে জনগণকে এক নিষ্ঠুর শোষণের যাতাকলে নিষ্পেষিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করেছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সর্বস্তরে পুনর্বাসিত করেছে, মন্ত্রীত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে, তাদের গাড়িতে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জাতীয় পতাকা উড্ডীন হয়েছে। স্বাধীনতার সব আকাঙ্ক্ষাকে ভূলুণ্ঠিত করে পাকিস্তানি ভাবাদর্শকে পুনর্বাসিত করেছে। সব চাইতে সর্বনাশের দিক হচ্ছে সমাজের সর্বস্তরে কি প্রশাসন, কি শিক্ষাব্যবস্থা, সংস্কৃতি-সাহিত্যে সাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

প্রশ্ন থাকে যে, ওরা জন্মগতভাবে এই অকল্যাণকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হওয়া তাদের ভাবাদর্শের দিক থেকে এটাই বাস্তব বিষয় হলো- যে রাজনৈতিক শক্তি স্বাধীনতার পক্ষের দাবিদার তাদের ওপর মানুষের যে আশা-ভরসা ছিল তাদের কর্মকাণ্ড মানুষকে আশাহত করেছে। বর্তমানের লুটেরা অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, গণতান্ত্রিক আচরণবিধি এবং এসব প্রশ্নে একটা পার্থক্য টানা পূর্বতন দলগুলোর সাথে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকে অনুৎপাদনশীল ব্যক্তি বা শক্তির কাছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ লুটের সম্পদ জমা হয়ে আছে। এরা এই সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে। রাজনীতিবিদদের হাতে আর রাজনীতি নেই। ওরা সংসদ দখল করেছে, ওরা ব্যাংক বীমা দখল করেছে, ওরাই মিডিয়ার মালিক বনেছে। এভাবে অর্থনীতি কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে তাদের হাতে। দলের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত নীতিবোধের বালাই নেই। ব্যাংক বীমা থেকে শুরু করে ফুটপাথ সর্বস্তরে লুটপাট, চাঁদাবাজি, তোলাবাজির মাধ্যমে একটা নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছে। এসবের কারণে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনগণের উপর আস্থাহীনতার কারণে জনগণের ভোটের উপরও ভরসা হারিয়েছে।

বলা হচ্ছে উন্নয়ন হচ্ছে- কথা মিথ্যা নয়। পাকিস্তান আমলে আইয়ুবী শাসনকালে বা এরশাদের আমলেও উন্নয়ন হয়েছে। তাতে কি? ঐসব আমলের মতো যদি মানুষের ভোটের অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা যদি না থাকে, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন যদি না থাকে, ধনবৈষম্য যদি একইরকম থাকে তাহলে ঐসমস্ত শক্তির সাথে পার্থক্য নির্ণয় কি করে করা যেতে পারে। সর্বক্ষেত্রে বিশাল শূন্যতা বিরাজ করছে। আর এই সুযোগ গ্রহণ করছে সাম্প্রদায়িক শক্তি।

এই অবস্থায় আমাদের পার্টি সমাজ বিশ্লেষণে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিসম্পন্ন সমাজের আমূল বৈপ্লবিক পরিবর্তনে বিশ্বাসী বাম শক্তিকে নিয়ে বিকল্প শক্তিবলয় গড়ে তোলা ছাড়া আমাদের দেশের আর কোনো বিকল্প নেই। আর এই জন্য আমাদের পার্টিকে একটা একশিলা বিপ্লবী পার্টি হিসাবে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে।

আমাদের পার্টির বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। অখণ্ড ভারতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলন, ১৯৪৭ এ দেশ ভাগ হলে ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন,’ ৫৯ এর গণঅভ্যুত্থান,’৭১ এর সুমহান মুক্তিযুদ্ধ। একসময় টংক আন্দোলনে কমরেড মণি সিংহের অপরিসীম ভূমিকা, তেভাগা আন্দোলনে ইলা মিত্রের ভূমিকা, নানকার আন্দোলনে কমরেড বারীণ দত্ত ও হেনা দাসের ভূমিকা, আদমজীর তাজুলের আত্মদান, পল্টন বোমা হামলায় শহীদ হিমাংশু বিপ্রদাসের জীবন দান, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, পাট কল, চিনি কল রক্ষা আন্দোলন, শিল্প-কল কারখানাকে রাষ্ট্রীয়করণের আন্দোলন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আন্দোলন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আন্দোলন, গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা আন্দোলনে আমাদের পার্টি নিয়োজিত আছে। ‘ভাত-কাপড়-জমি-কাজ’ এই স্লোগানকে উচ্চারিত করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অর্থনৈতিক ও সামজিক দাবি আদায় এবং দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা-সংকট নিরসনের জন্য এই আন্দোলনকে বেগবান করতে হবে।

এই সংগ্রামসমূহ গুরুত্বের সাথে অগ্রসর করতে হবে। জনগণকে সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করার জন্য পার্টিকে নিরলসভাবে অগ্রসর করতে হবে। লুটেরা পুঁজিবাদী শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতাকে রক্ষা করা আবার ক্ষমতাসীন হওয়া নিয়ে চরম দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে। মানুষ এই অবস্থার পরিবর্তন চায় এবং বিকল্প শক্তির প্রত্যাশা করছে। এটা বর্তমান সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ‘দুঃশাসন হটাও, ব্যবস্থা বদলাও, বিকল্প গড়ো। সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে বিকল্প গণতান্ত্রিক পরিবর্তন সাধন করুন’- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দ্বাদশ কংগ্রেস অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে।

আসুন আমাদের পার্টির আসন্ন দ্বাদশ কংগ্রেসে আমাদের সর্ববিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করি এবং আমাদের পার্টিকে একটি দৃঢ় গণভিত্তিসম্পন্ন বিপ্লবী পার্টি হিসেবে গড়ে তুলি। এটা আমাদের পার্টির সর্বস্তরের কমরেডদের প্রতি দৃঢ় আহ্বান।

লেখক: সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সিপিবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.