দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিতে ‘সার্বিক কোনো উন্নতি হয়নি’; সরকারের প্রতিবাদ

গতবছর বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিতে ‘সার্বিক কোনো উন্নতি হয়নি’।

যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) গত বৃহস্পতিবার ২০২০ সালের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র বিষয়ক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করা হয়৷

এর প্রেক্ষিতে ঢাকায় ব্রিটেনের হাই কমিশনারকে ডেকে সম্প্রতি প্রকাশিত মানবাধিকার প্রতিবেদন নিয়ে হতাশার কথা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ সরকার৷

রোববার ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার জাবেদ প্যাটেলকে তলব করার কথা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷

মানবাধিকার ও গণতন্ত্র বিষয়ক প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবেশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে৷

বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ২০২০ সালে ‘নিয়ন্ত্রিত ছিল’ মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার শর্তসাপেক্ষে কারামুক্তির প্রসঙ্গে বলা হয়, “বাড়িতে থেকে চিকিৎসা ও বিদেশ না যাওয়ার শর্তে সাজা স্থগিত করে গত বছর মার্চে ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়াকে জেল-মুক্তি দেয় সরকার৷ সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়, ২০২০ সালের পুরো সময় তিনি ঢাকায় গৃহবন্দি ছিলেন৷”

এদিকে খালেদা জিয়াকে সেখানে ‘গৃহবন্দি’ বলার প্রতিবাদ জানানোর কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে বলা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থাকে ‘গৃহবন্দিত্ব’ হিসাবে বর্ণনা করা বিভ্রান্তিকর৷

প্রতিবেদনে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা নিয়েও সরকারের উদ্বেগের কথা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়৷

প্রতিবেদনে ব্যবহার করা কিছু ‘পরিভাষা’ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের মতৈক্যে কিংবা দেশীয় আইনে স্বীকৃত নয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়৷ আলোচনার পর হাই কমিশনার জাবেদ প্যাটেল প্রতিবেদনের বিষয়টি এফসিডিও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published.