দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে টোকিও অলিম্পিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

দর্শক ছাড়াই স্বল্প সংখ্যক অ্যাথলেট, অনেক অনেক ফেসমাস্ক এবং জীবাণু-বিহীন ফ্ল্যাগ ইত্যাদি নিয়েই আজ শুক্রবার শুরু হলো টোকিও অলিম্পিকস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটা শুরু হয়েছে। জাপান সম্রাট নারুহিতো এই অলিম্পিকস উদ্বোধন করবেন।

কিন্তু তার ভাষণে ‘উৎসব’, ‘আনন্দ’ ইত্যাদি শব্দগুলো থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে আজ এসব তথ্য জানানো হয়।

যে ভেন্যুতে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে তার ধারণ ক্ষমতা ৬৮,০০০। কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন এক হাজারেরও কম মানুষ, যাদের বেশিরভাগই আমন্ত্রিত ভিআইপি।

কিন্তু অতি উৎসাহী ব্যক্তিরা স্টেডিয়ামে ঢোকার সুযোগ নেই জেনেও ঠিকই অলিম্পিক স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় জমিয়েছেন।

এই গেমস একেবারে বাতিল করার দাবী অনেক দিন ধরেই রয়েছে। কারণ এই ধরনের অনুষ্ঠানের পর সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

কয়েক মাস ধরে নানা জরিপ দেখা গেছে, অলিম্পিক আয়োজনের বিপক্ষে স্থানীয় বাসিন্দারা। টোকিওতে এখনো জরুরি অবস্থা চলছে। কিন্তু একবার বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটরা জাপানে হাজির হতেই ধীরে ধীরে অলিম্পিকের প্রতি আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে।

আয়োজকরা আশা করছেন, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর যখন বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা শুরু হবে তখন এবারের অলিম্পিকস নিয়ে সমালোচনাগুলো কমে আসবে।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিকস কমিটির সভাপতি টমাস বাখ বলছেন, স্টেডিয়ামে ঢোকার অনুভূতি হবে আনন্দের এবং স্বস্তির।

Leave a Reply

Your email address will not be published.