তাইওয়ানে পেলোসির সফরের তীব্র বিরোধিতা করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বিপ্লব রঞ্জন সাহা

গত মঙ্গলবার চীনের পক্ষ থেকে চীনের তাইওয়ান অঞ্চলে সফরের ব‍্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও ইউ এস হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন‍্যান্সি পেলোসির সফরের তীব্র নিন্দা করেছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে পেলোসির এই সফর ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতাকামী’ বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে ‘ভুল সংকেত’ দিচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরো বলেছে যে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রতিনিধিত্ব মারফত আইনসম্মতভাবে প্রতিবাদ ও অভিযোগ দায়ের করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ বিবৃতিসহ অপরাপর প্রতিক্রিয়াসমূহ নীচে তুলে ধরা হল:

২ আগস্ট, চীনের জোরালো বিরোধিতা ও মারাত্মক প্রতিনিধিত্বকে অগ্রাহ‍্য করে, ইউ এস হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার ন‍্যান্সি পেলোসি চীনের তাইওয়ান অঞ্চলে সফরে এসেছেন। এটা চীনের ‘এক-চীন নীতি’ এবং চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ‍্যেকার তিন যৌথ প্রজ্ঞাপনের মারাত্মক লঙ্ঘন। চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভিত্তির উপর এর রয়েছে ভয়ংকর পরিণতি এবং তা চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ভীষণভাবে বাধাগ্রস্ত করবে। এটা তাইওয়ান প্রণালী জুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’-র নামে ক্রিয়াশীল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একটি ভুল বার্তা প্রেরণ করবে। চীন অত‍্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এই সফরের বিরোধিতা ও ধিক্কার জানাচ্ছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মারাত্মক রাজনৈতিক অভিযোগ ও জোরালো প্রতিবাদ করছে।

যারা পৃথিবীতে একটিমাত্র চীনই রয়েছে। তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ‍্য অংশ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সরকার হলো একটি একক আইনসম্মত সরকার যেটা সমগ্র চীনকে প্রতিনিধিত্ব করে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৭১ সালের ২৭৫৮ নং সিদ্ধান্তের বিষয়টিতে স্পষ্টভাবেই এই স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্বের ১৮১টা দেশ এক চীন নীতির ভিত্তিতে চীনের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। এক চীন নীতি বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য ধারণা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক আদর্শ।

১৯৭৯ সালে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন বিষয়ক চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ প্রজ্ঞাপনের মাধ‍্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট অঙ্গীকার ব‍্যক্ত করেছিল, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে একটি একক আইনগত সরকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এই প্রেক্ষাপটকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাইওয়ানের জনগণের সাথে সাংস্কৃতিক, বাণিজ্যিক ও অন‍্যান‍্য বেসরকারি সম্পর্ক ও যোগাযোগ রক্ষা করবে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি অংশ হিসেবে কংগ্রেস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্বীকৃত এক চীন নীতিমালাকে দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করতে বাধ‍্য থাকবে এবং চীনের অবিচ্ছেদ‍্য অংশ তাইওয়ান অঞ্চলের সাথে দাপ্তরিক আদানপ্রদান থেকে বিরত থাকবে।

আর তাই চীন সবসময়ই মার্কিন কংগ্রেসের কোন সদস‍্যের তাইওয়ান সফরের বিরোধিতা করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কার্যনির্বাহী শাখাকে এই ধরণের সফর বন্ধ করার দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ করেছে। যেহেতু স্পিকার পেলোসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের একজন প্রতিনিধিত্বশীল নেতা, তাই তার তাইওয়ান সফর ও সেই কেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড যে ধরণেরই হোক আর যে কারণেই হোক তা তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী জনগণের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাপ্তরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্দেশে বিশাল রাজনৈতিক প্ররোচনা। চীন কিছুতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে মেনে নিতে পারে না এবং চীনা জনগণ এ ধরনের তৎপরতাকে ঘৃণাভরে ও চরমভাবে প্রত‍্যাখ‍্যান করছে।

তাইওয়ান প্রসঙ্গটি চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়। তাইওয়ান প্রণালী বর্তমানে নতুন ধরনের চাপ ও মারাত্মক চ‍্যালেঞ্জের মুখোমুখি এবং এর মৌলিক কারণ হলো তাইওয়ানের প্রশাসন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই স্থিতাবস্থাকে বিনষ্ট করার উপর্যুপরি প্রয়াস। তাইওয়ানের প্রশাসন তাদের স্বাধীনতার প্রশ্নে অবিরাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ের প্রচেষ্টায় তৎপর। তারা ১৯৯২ সালে চীনাকরণকে না কমানো এবং ক্রমবর্ধমান স্বাধীনতার দাবীর ব‍্যাপারে সর্বাত্মক প্রয়াস না গ্রহণের জন‍্য সর্বসম্মত মতকে মেনে নিতে অস্বীকার করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজেদের দিক থেকে চীনকে অবদমনের উদ্দেশ‍্যে এই কর্মকাণ্ডকে ব‍্যবহার করার চেষ্টা করছে। তারা বিরতিহীনভাবে এক-চীন নীতিকে বিকৃত, বিনষ্ট, অস্পষ্ট ও অর্থহীন প্রমান করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে তাদের দাপ্তরিক সম্পর্ক রেখে চলেছে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার দাবীকে জোরালোকরণের মাধ‍্যমে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কর্মকাণ্ডকে মদদ দিয়ে যাচ্ছে। এটা স্পষ্টতই আগুন নিয়ে খেলার সামিল। এইসব কাজ চরম বিপজ্জনক। যারা আগুন নিয়ে খেলে তারা সেই আগুনেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

তাইওয়ান প্রসঙ্গে চীনা সরকার ও জনগণের অবস্থান সবসময়ই স্থির রয়েছে। এটা ১.৪ বিলিয়নেরও অধিক সংখ্যক মানুষের দৃঢ় অঙ্গীকার যে তারা জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে রক্ষা করবে। নিজ মাতৃভূমির পুনরেকত্রীকরণের কাজকে সম্পূর্ণতা প্রদানই হলো সকল চীনা জনগণের সার্বজনীন প্রত‍্যাশা ও পবিত্র দায়িত্ব। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষাকে কোনভাবেই অস্বীকার করা যাবে না এবং সময়ের এই দাবীকেও আর কিছুতেই উল্টোপথে ফেরানো যাবে না। কোন দেশ, কোন শক্তি এবং কোন ব‍্যক্তিরই চীনা জনগণের এই দৃঢ়চেতা মনোভাব, প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং চীনা সরকারের বিশাল সক্ষমতাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই এবং চীনের জনগণ নিজ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা ও জাতীয় পুনরেকত্রীকরণকে বাস্তবায়িত করতে সক্ষম। চীন অবশ‍্যই মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকারের তাইওয়ান সফরের কারণে হুমকির মুখে পড়া জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ব‍্যাপারে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। এই পরিস্থিতি থেকে সৃষ্ট যেকোন পরিণতির দায়-দায়িত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকেই বহন করতে হবে।

চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুটি বৃহৎ রাষ্ট্র। শুধুমাত্র পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শ্রদ্ধাবোধের মাধ‍্যমে সব ধরনের কাজের সঠিক পথ অনুসরণই তাদের উভয়ের কাছে প্রত‍্যাশিত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, কোনরকম সংঘর্ষ নয় এবং উভয়েই লাভবান হওয়ার নীতিই হলো গ্রহণযোগ্য। তাইওয়ান প্রসঙ্গ পুরোপুরিভাবেই চীনের আভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ বিষয়ে কোন দেশই তাইওয়ান প্রশ্নে বিচারকের আসন নিতে পারবে না। চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই ‘তাইওয়ান তাস’টি নিয়ে না খেলা এবং তাইওয়ান প্রসঙ্গ ব‍্যবহার করে চীনকে অবদমন করার প্রয়াস না নেওয়ার জন‍্য দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানায়। তাদের উচিত তাইওয়ানের ব‍্যাপারে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা এবং চীনের আভ্যন্তরীণ ব‍্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা। তাদের উচিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন প্রদান বন্ধ করা এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিষয়টি যেকোন উপায়ে উপেক্ষা করা। তাদের উচিত তাইওয়ান সম্পর্কে ‘এক ধরনের কথা বলা এবং আরেক ধরনের কাজ করা’র স্বভাব থেকে সরে আসা। তাদের উচিত এক চীন নীতিকে বিকৃত, অস্বচ্ছ এবং হেয় করা বন্ধ করা। তাদেরকে অবশ‍্যই ‘এক-চীন নীতি’র প্রশ্নে বিশ্বাসযোগ্য কর্মকাণ্ড করা এবং চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ‍্যেকার তিন যৌথ অঙ্গীকার কঠোরভাবে অনুসরণ করা এবং র্মর্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ নিজেদের করা পাঁচ অঙ্গীকার (যেমন নতুন করে কোন স্নায়ু যুদ্ধের দিকে অগ্রসর না হওয়া, চীনের পদ্ধতিকে পরিবর্তনের কোন উপায় না খোঁজা, পুনরুজ্জীবনের জন‍্য তাদের মৈত্রীবন্ধন চীনের বিরুদ্ধে না যাওয়া, তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন না করা) মেনে চলবে এবং তারা আর ভ্রান্ত ও বিপজ্জনক পথে পা বাড়াবে না।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান তার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং তাইওয়ান বিষয়ক স্টেট কাউন্সিল দপ্তরও তাদের বিবৃতিতে বলেছে, বেইজিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব কংগ্রেসের স্পিকার ন‍্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

আবারও পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঝাও আরো বলেন, ‘এটা আবারও প্রমাণিত হলো যে ব‍্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের মধ‍্যে চির ধরাতে চেষ্টা করে। তারা তাইওয়ান প্রণালী বরাবর পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলতে চায় এবং তারা চায় সারা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক।’

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে ‘যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সফরসূচি অব‍্যাহত রাখে তাহলে আমাদের সেনাবাহিনীও বেকার বসে থাকবে না এবং তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন করার অভিপ্রায়ে যেকোন বৈদেশিক বাহিনীর অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপকে পরাজিত করবে। চীন তার এই অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে রক্ষা করবে।’

জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত পেলোসির এই তাইওয়ান সফরকে তাইওয়ান অঞ্চলে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী বলে অভিহিত করেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ঝ‍্যাং জুন তাইওয়ান প্রশ্নে গত সোমবার চীনের অবস্থান বিশদ বিস্তারে তুলে ধরেন এবং বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ স্পিকার ন‍্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ধ্বংসাত্মক এবং উত্তেজনা সৃষ্টিকারী।

ঝ‍্যাং সাংবাদিকদের বলেন, ‘এক-চীন নীতি হলো অন‍্যান‍্য দেশের সাথে চীনের সম্পর্কের একটি রেড লাইন এবং আমরা কাউকেই এই সীমা লঙ্ঘন করতে দেব না।’

তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ‍্য অংশ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন চীন তাইওয়ানের স্বাধীনতার নামে যেকোন বিচ্ছিন্নতাবাদী অপতৎপরতার বিরোধিতা করে এবং যেকোন রূপের বিচ্ছন্নতাবাদী তৎপরতাকে সহযোগিতার লক্ষ‍্যে যেকোন বাহ‍্যিক শক্তির হস্তক্ষেপের কোন জায়গা নেই’। তিনি সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেন যে ইদানীং চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এসব বিষয়স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে।

জাতিসংঘে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ‍্যাং আরো বলেন, এই ধরনের তৎপরতা এক-চীন নীতিকে হেয় করা, চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নষ্ট করা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্ত করা এবং চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে বিনষ্ট করার অপপ্রয়াসের সামিল। ‘চীন যেকোন পরিস্থিতিতে নিজস্ব প্রতিক্রিয়া জানাতে সদা প্রস্তুত।’

পেলোসির এই সফরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ১৯৯৭ সালে তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাইজের স্পিকার নিউট গিনরিচের সফরের কথা উল্লেখ করে ঝ‍্যাং তুলে ধরেন ‘পূর্বতন ভুলটি পরবর্তী ভুলের আইনী ভিত্তি হতে পারে না।’

সাম্প্রতিক কয়েক বছর ধরে বৈদেশিক প্রভাব ও প্ররোচনায় তাইওয়ানের পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিষয়টি ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে। এর সাথে ঝ‍্যাং আরো বলেন, ‘এইসব কর্মকাণ্ডকে এখনই ঠেকানো না হলে হয়তো তাইওয়ানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।’

 সূত্র: CGTN (China Global Television Network)

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ; সদস্য, বাঙলাদেশ কমিউনিস্ট কর্মীসংঘ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.