জি-সেভেন: চীন-বিরোধী নতুন জোটের ডাক বাইডেনের

আমেরিকার বর্তমান সরকার তার মিত্রদের বলতে চাইছে যে, ‘পশ্চিমা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের শ্রেষ্ঠত্ব’ বাকি বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাকি বিশ্বকে বলতে হবে চীনের বিনিয়োগ নিয়ে আখেরে তাদের বিপদে পড়তে হবে, চীন মানবাধিকারের তোয়াক্কা করেনা, সুস্থ প্রতিযোগিতার ধার ধারেনা।

শনিবার জি-সেভেন বৈঠকের আলাপ-আলোচনার মুখ্য বিষয় ছিল চীন এবং বিশ্বে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলার উপায়।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বরাতে এসব কথা বলা হয়।

হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, অবকাঠামো এবং অন্যান্য কারিগরি সাহায্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে চীন যেভাবে তাদের প্রভাব বলয় বাড়াচ্ছে তার মোকাবেলায় বিকল্প অভিন্ন একটি কৌশল নিতে নতুন একটি পশ্চিমা জোট তৈরির প্রস্তাব দেবেন জো বাইডেন।

এদিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন জি-সেভেন নেতাদের সতর্ক করে বলেছে যে, কয়েকটি দেশের একটি ছোট গ্রুপ বিশ্বের ভাগ্য নির্ধারণের দিন দীর্ঘদিন আগেই শেষ হয়েছে।

লন্ডনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, “আমরা সর্বদা বিশ্বাস করি যে বড়, ছোট, শক্তিশালী বা দুর্বল, দরিদ্র বা ধনী সকল দেশই সমান এবং বিশ্বের বিষয়গুলি সমস্ত দেশের পরামর্শের মাধ্যমে পরিচালনা করা উচিত।”

উল্লেখ্য, গত তিন দশকে চীন তাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় বিশ্বের একশটিরও বেশি দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে – যা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা, উদ্বিগ্ন। তাদের ভয়, গত কয়েকশ বছর ধরে উন্নয়নশীল বিশ্বে তাদের যে প্রভাব-প্রতিপত্তি রয়েছে তা হুমকিতে পড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.