জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করার দাবি স্কপ-এর

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো, বাজারমূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করার দাবি করেছে শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদ-স্কপ।

আজ (১৬ নভেম্বর) সোমবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে এ দাবি তোলা হয়।

জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করার দাবি ছাড়াও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি রোধ, শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য রেশন ব্যবস্থা চালু, বেতন বৈষম্য কমানো ও মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের দাবিও করেন স্কপের নেতৃবৃন্দ।

স্কপের যুগ্ম সম্বন্বয়কারী ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জাামান রতন, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, জাতীয় শ্রমিক লীগের ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, ট্রেড ইউনিয়ন সংঙ্ঘের সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান, জাতীয় শ্রমিক জোটের কার্যকরী সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শামীমা আরা প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নঈমুল আহসান জুয়েল।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, “করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্রমিক কর্মচারীরা। তারা চাকরি হারিয়েছে, মজুরি কমেছে অথচ সরকার ঘোষিত সহযোগিতা বা প্রণোদনা শ্রমিকরা পায়নি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, টিসিবি’র ট্রাকে পণ্য বিক্রয় বা ও.এম.এসে চাল বিক্রি করে শ্রমজীবী মানুষের দুর্দশা দুর করা যাবেনা। প্রতিজন শ্রমিক কর্মচারীর জন্য পুলিশ বা সেনাবাহিনীর মত রেশন প্রদানের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। আর বাজারমূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করে প্রতিবছর বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সমন্বয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারি বেতন কাঠামোর স্তর ২০ টি থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনা ও মালিকানা নির্বিশেষে সমকাজে সমমজুরি নিশ্চিত করার দাবিও জানান।

নেতৃবৃন্দ মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনের সাথে সংহিত প্রকাশ করেন এবং মজুরি পুণঃনির্ধারণের অন্তর্বর্তী সময়ে মহার্ঘভাতা প্রদানের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব, তোপখানা রোড, পল্টন এলাকা প্রদিক্ষণ করে।

শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin