ছাত্র রাজনীতির সেকাল-একাল

আকমল হোসেন :

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রথম সারির সকল পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ ও টকশোতে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় এসেছে। ছাত্রলীগের ইতিহাসে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে আওয়ামী ঘরানার শিক্ষক বুদ্ধিজীবী সাংবাদিকরা বলছেন, আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার এই উদ্যোগকে সাধুবাদও জানাচ্ছেন। বিপরীতে বিএনপি মহাসচিবের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘সরকারের মধ্যকার দুর্নীতি’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। যদিও ছাত্রলীগের এ ধরনের ঘটনা নতুন কিছু নয়, এর পূর্বে এরকম অনেক ঘটনা আছে। কখনও দলীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কখনও কখনও নেয়া হয়নি, তবে না নেয়ার পরিমাণই এক্ষেত্রে বেশি। একইভাবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির আমলে তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল ও জাতীয় ছাত্র সমাজের ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখা গেছে।

মোটাদাগে এই যদি হয় ছাত্র সংগঠনগুলির অবস্থা তখন ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সচেতন মানুষের শঙ্কার কারণ থেকেই যায়। তবে এটাই ছাত্র রাজনীতির আসল বাস্তবতা নয়, এর বাইরেও আরেকটি বাস্তবতা আছে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতাযুদ্ধ আর ’৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস সেই বাস্তবতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রত্যেকটি বিষয় ও ঘটনার অর্থ মোটাদাগে তিনভাবে বিবেচনা করা যায়। এদের একটি হলো ‘শব্দার্থ’ আরেকটি ‘ভাবার্থ’ আর সর্বশেষটি হলো ‘গুঢ়ার্থ। শাব্দিক অর্থে ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত রাজনীতিই ছাত্র রাজনীতি। ছাত্রদের এই কর্মকাণ্ডকে ছাত্র-আন্দোলন বলাই সমীচীন। প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষেরই পেশাগত সুযোগ সুবিধা, জীবন জীবিকা নির্বাহের প্রয়োজনে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, সেই প্রয়োজনীয়তা থেকে মানুষ বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন করে। সেটাকে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন বলাই শ্রেয়। তবে ট্রেড ইউনিয়ন করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের আরোপিত নীতিমালার মধ্য থেকে তালিকাভুক্ত হয়ে কর্মকাণ্ড চালাতে হয়। সেদিক থেকে বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠনগুলি নিবন্ধিত নয়, পক্ষান্তরে ছাত্র রাজনীতি আজ দু-একটা ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন হিসেবে ক্রিয়াশীল, সেই বাস্তবতায় ছাত্র রাজনীতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে এই ভূখণ্ডে ব্রিটিশদের শাসনের শেষ দিকে এমনকি পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীনতার পরও ছাত্র রাজনীতির স্বাধীন এবং স্বক্রিয় অবস্থান ছিল। সংগঠনসমূহের ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্রের আলোকে সাংগঠনিক চর্চা ছিল, বর্তমানে বৃহৎ ছাত্র সংগঠনগুলির কার্যক্রমে সে চিত্র দৃশ্যমান নয়। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ আমলের এই সময়টার ছাত্র রাজনীতির গতিবিধি পর্যালোচনা করলে তিনটি অবস্থা দৃশ্যমান হবে।

পুরো পাকিস্তান আমলে ছাত্র সংগঠনগুলি পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে ছাত্রসমাজের শিক্ষা ও শিক্ষা সংক্রান্ত দাবি বাস্তবায়নে কাজ করেছে। সংগঠনের ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্রের চর্চা, নিয়মিত সম্মেলন এবং নেতৃত্ব নির্বাচনের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বিদ্যমান ছিলো। এর বাইরে নিজস্ব অবস্থান থেকে দেশ জাতি ও মানুষের স্বার্থে নিজস্ব ব্যানার থেকে ভূমিকা রেখেছে। ভাষার সংগ্রামে অংশগ্রহণ, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে হক-ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং ১৯৬৮ সালের ছাত্র-শিক্ষক ও শ্রমিকের দাবিসহ পূর্ব পাকিস্তানিদের স্বাধিকার ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১১ দফা ঘোষণা এবং ঐতিহাসিক ছাত্র গণঅভ্যূত্থান গড়ে তুলেছি। অর্থাৎ পাকিস্তান আমলে দু-একটি ছাত্র সংগঠন কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করলেও অঙ্গ সংগঠন হিসেবে কাজ করেনি। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা অংশ গ্রহণ করেছে, সবাই তার ব্যানার থেকে না পারলেও, ছাত্র ইউনিয়ন সংগঠনটি তার ব্যানার নিয়েই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ গঠনে অসহায় মানুষের পুনর্বাসনে, কৃষকের বীজতলা তৈরি এবং বীজ বিতরণের কাজ পর্যন্ত ছাত্র সংগঠনের ব্যানার থেকে করেছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পালা বদলের মাধ্যমে সামরিক শাসকের ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতায় থাকার বাসনায় রাজনৈতিক দল গঠন, ১৯৭৭ সালের রাজনৈতিক দলবিধি জারির মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিকে দলীয় লেজুরবৃত্তির আওতায় আনায় ছাত্র রাজনীতির যে বিপথগামী ধারার সূচনা হয়েছে, সেই ছাত্র রাজনীতি আজ কাউকে ক্ষমতায় রাখা আবার কাউকে গদিচ্যুত করার এজেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এছাড়াও আদু ভাই ছাত্র নেতা, সন্ত্রাসী, দাগী ব্যবসায়ী, মাস্তানরা আজ ছাত্র রাজনীতি মূল চালিকা শক্তিতে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক দলের অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের কারণে ছাত্র রাজনীতি আজ রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা দখলের লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। হল দখল, ক্যাম্পাস দখল, ত্রাস সৃষ্টি করেছে। কিডন্যাপ বাণিজ্যেও আজ বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মীরা জড়িত। ছাত্র রাজনীতিতে অস্ত্র ও সন্ত্রাস বর্তমানে যেভাবে স্থান করে নিয়েছে পাকিস্তান আমলেও এমনটি ছিল না, পাকিস্তান আমলে সরকার সমর্থিত এন, এস, এফ ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগকে দুর্বল করতে কিল ঘুষি আর লাঠিপেটার মধ্যেই সীমিত ছিল।

ব্রিটিশ শাসনের অবসানের ১৬ দিন পর ১৯৪৭ সালের ৩১ আগস্ট, মুসলিম ছাত্রলীগের নামের পূর্ব থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিতে মহিদুল আহম্মেদ, আজিজ আহম্মেদ ও তাজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক হলে ছাত্রসভার আয়োজন করা হয়েছিল, এই সভা ভণ্ডুল করতে শাহ আজিজের নেতৃত্বে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়িতে করে গুন্ডা এনে হামলা করা হয়েছিল। মোনেম আমলে এন, এস, এফের মাস্তান হিসেবে খোকী, পঁচা, পাত্তুর- মুজিব আমলে খসুরু, মন্টু, সেলিম আওরঙ্গ, লোকমান সন্ত্রাসী বলে বিবেচিত হতো। ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তৎকালীন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রধানের গ্রুপের হামলায় ৭ জন নিহত হয়।

জিয়ার আমলে ভালো ছাত্রদের সমুদ্রে প্রমোদ ভ্রমণে নিয়ে অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের ছাত্রদলের অন্তভুক্ত করেন। পরে তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসী অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম অভি, নিরু, বাবলুু। বর্তমানে রুলিং পার্টি সমর্থিত ছাত্র সংগঠনই শুধু নয় প্রধান বিরোধী দল সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ও নেতাকর্মীদের বিরাট একটি অংশ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত। পাকিস্তান আমলের ছাত্রলীগ পরবতির্তে সন্ত্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। বৃহৎ ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্র ইউনিয়নই কেবল সন্ত্রাসের পথ গ্রহণ করেনি, তবে ছাত্র ইউনিয়ন আজ তার সেই শক্তি ও সামর্থ ধরে রাখতে পারেনি। ছাত্র রাজনীতি সন্ত্রাস নির্ভর হয়ে পরায় মেধাবী ছাত্রই শুধু নয় ব্যাপক সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ হচ্ছে না, সেইসাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না থাকায় ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য নতুন নেতৃত্ব বের হচ্ছে না।

পাকিস্তান আমলে সরকার সমর্থিত এনএসএফ মাঝেমধ্যে সন্ত্রাসের মহড়া দিলেও আজকের ছাত্র রাজনীতির মত ভয়ংকর হয়নি। ঐ সময়ে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগ প্রগতিশীলতার ঝান্ডা বহন করেছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রকাশনা বের’সহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সাথে সাথে ছাত্র সমাজের দাবিতে রাজ পথে যেমন ছিল সোচ্চার তেমনি জাতীয় সমস্যা সমাধানে নিজস্ব ব্যানারে কখনওবা ছাত্র সংগঠনগুলি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনতার কাতারে থেকে সংগ্রাম করেছে।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ৬২ সালের হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন, ৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারসহ ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন, ছাত্র কৃষক শ্রমিকের দাবিসহ পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নের জন্য ১১ দফা ভিত্তিক ছাত্র আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিলো। স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্র কর্মীদের অংশগ্রহণ দেশপ্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য স্বাধীনতার পর তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ ছাত্রলীগে বিভক্তি ছাত্র রাজনীতির ময়দান সহিংস হয়ে ওঠে। ১৯৭৫ সালের বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যা পরবর্তীকালে জিয়ার ক্ষমতায় আগমন এবং তার ক্ষমতার স্বার্থে রাজনৈতিক দলবিধি ১৯৭৯ জারির মাধ্যমে স্বাধীন এবং গণসংগঠনের চরিত্রসমৃদ্ধ ছাত্র সংগঠন এবং মহিলা ও শ্রমিক সংগঠনগুলিকে রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত করায় ছাত্র রাজনীতির গতি প্রকৃতির পরিবর্তন যেমন ঘটেছে তেমনি স্বাধীন পেশাজীবী সংগঠন গুলিরও রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে। ফলে এই সকল সংগঠন পেশাগত মান উন্নয়ন, পেশার দাবী বাস্তবায়নের চাইতে বেশী পরিমানে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালন এবং রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় রাখা অথবা ক্ষমতাচ্যুত করার কাজে ব্যস্ত হয়েছে। ক্ষমতামুখী পুঁজিবাদ ও ভোগবাদ নির্ভর রাজনীতির বিপথগামী স্রোতধারার কারণে ছাত্র রাজনীতি আজ আরও বিপথগামী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং অধিকাংশ বৃহৎ ছাত্র সংগঠন গুলিতে সম্মেলন না হওয়ায় নতুন নেতৃত্বের সৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে জাতীয় রাজনীতির ময়দানে দক্ষ সংগঠক ও রাজনীতিকের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেই সাথে ছাত্র রাজনীতিতে আদুভাই এবং অছাত্রদের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে ছাত্র সমাজের দাবীভিত্তিক বৃহৎ কোনো আন্দোলন সংগ্রাম হচ্ছে না। বামধারার ছাত্র সংগঠনগুলি এই ধারার বিপরীতে চলার চেষ্টা করছে তবে ভেজালের ভিড়ে এদের খাটিত্বে দৃশ্যমানতা কঠিন হয়ে পরছে। ছাত্র রাজনীতির বৃহৎ সংগঠনগুলি আজ হল দখল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজ, আবাসিক হলের গেস্টরুম টর্চার সেল, কিডন্যাপ বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মে যুক্ত থাকায় ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে অনেকেই নেতিবাচক মনোভাব যেমন প্রকাশ করছে তেমনি মাঝেমধ্যে ছাত্র রাজনীতি বন্ধেরও দাবি তুলছে। তবে মাথা ব্যাথা সাড়ানোর জন্য মাথা কেটে ফেলা তার সমাধান নয়। ছাত্র রাজনীতির বিপথগামিতা দূর করতে প্রয়োজন ছাত্র রাজনীতির দলীয় লেজুরবৃত্তি পরিহার করা আদুভাই ও অছাত্রদের সংগঠনে প্রশয় না দেয়া, ছাত্র সংগঠনগুলির নিয়মিত কাউন্সিল/সম্মেলন করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করা, একাডেমিক বিধানের বাইরে বছরের পর বছর কোন ছাত্রকে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি রাখা এবং আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ না রাখার ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পুঁজিবাদী শোষণমূলক সমাজে নাগরিকের স্বার্থ রক্ষায় বঞ্চিত মানুষের সংগঠিত হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। তাছাড়া মানুষ হিসেবে মানুষের জন্য বড় কিছু করতে রাজনীতি ছাড়া বিকল্প পথই বা কি? সেই কারণেই সুস্থ ধারার ছাত্র রাজনীতি জাতীয় রাজনীতিকেও ইতিবাচক দিকে প্রভাবিত করতে পারে।

লেখক : সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস), কেন্দ্রীয় কমিটি

Leave a Reply

Your email address will not be published.