‘গৃহায়ন প্রকল্প ও ফ্যামিলি কার্ডের সুফল বস্তিবাসীরা পায়নি’ –বস্তিবাসী ইউনিয়ন

পুনর্বাসন এবং ফ্যামিলি কার্ডের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে বস্তিবাসী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বলেছেন ‘সরকারি গৃহায়ন প্রকল্প ও ফ্যামিলি কার্ডের সুফল প্রকৃত বস্তিবাসীরা পায়নি’।

আজ (১৩ আগস্ট), শনিবার বিকেল ৫টায় নগরীর পল্টন মোড়ে বস্তিবাসী ইউনিয়নের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এসব কথা বলা হয়।

সমাবেশ থেকে অবিলম্বে প্রকৃত বস্তিবাসীদের জন্য সরকারি আবাসন প্রকল্পের গৃহ বরাদ্দ, রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ বস্তিবাসী ইউনিয়নের সভাপতি কুলসুম বেগমের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সাদেকুর রহমান শামীম, বস্তিবাসী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেক, কেন্দ্রীয় নেতা রেহানা বেগম, ওবায়দুল ইসলাম জসিম, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন, বিপ্লবী সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক হজরত আলী, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল হাশিম কবির, রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম নাদিম, গার্মেন্ট শ্রমিক টিইউসির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর মঈন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি অনিক রায় প্রমুখ।

সমাবেশে বস্তিবাসী ইউনিয়নের উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, গৃহহীনদের জন্য সরকারি অর্থে নির্মিত আবাসন প্রকল্পে বরাদ্দ পাচ্ছে সরকার দলীয় ব্যক্তিবর্গ। প্রকৃত গৃহহীন বস্তিবাসীরা সরকারি অর্থে নির্মিত ঘর বরাদ্দ পাচ্ছে না। তিনি বলেন, সুন্দর শিরোনামের একেকটি মেগা প্রকল্প মেগা লুটপাটের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। গরিবের হক বরাদ্দ পাচ্ছে জায়গা ও বাড়ির মালিকেরা।

তিনি আরও বলেন, বস্তিবাসীসহ শহরের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে শাসকশ্রেণিকে অবরুদ্ধ করে ন্যায্য পাওনা আদায় করতে হবে।

সামবেশে বস্তিবাসী ইউনিয়নের উপদেষ্টা সাদেকুর রহমান শামীম বলেন, বস্তিবাসীগণ কর্মক্ষেত্রে বাঁচার মতো মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চরম কষাঘাতে আজ শ্রমজীবী মানুষের জীবন বিপর্যস্থ। সরকার ১ কোটি ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছে বলে প্রচার করছে। কিন্তু প্রকৃত বস্তিবাসীরা কোনো কার্ড বা রেশন সুবিধা পায়নি। তিনি বস্তিবাসীদের সঠিক তালিকাভুক্তি ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে মুক্তিভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.