‘গণমানুষের স্বার্থবিরোধী’ বাজেট প্রত্যাখ্যান করেছে ক্ষেতমজুর সমিতি

প্রস্তাবিত বাজটকে গণমানুষের স্বার্থবিরোধী এবং গরিব মারার বাজেট বলে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং গণমানুষের স্বার্থে বাজেট প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি।

শুক্রবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে একথা বলেন ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা-মহামারির সময়ে মানুষ বাঁচাতে স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তাসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতের প্রাধান্যের গণআকাঙ্খা প্রস্তাবিত বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে। এই বাজেটে লুটেরাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে। লুটেরাদের স্বার্থরক্ষায় ৯৯% মানুষের স্বার্থবিরোধী বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের মানুষ প্রত্যাশা করেছিল, করোনা মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শমতো বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রয়োজনমতো বৃদ্ধির বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়েছে। ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য পল্লি রেশনিংসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও প্রস্তাবিত বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, লুটেরা ধনিকদের স্বার্থ রক্ষায় কালো টাকা সাদা করা, কর রেয়াত, শুল্ক রেয়াত করা হয়েছে। অপরদিকে পরোক্ষ করের পরিধি ও মাত্রা বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের ওপর ব্যয়ের বোঝা চাপানো হয়েছে। এই বাজেট লুটপাটকে আরও উৎসাহিত করবে, লুটেরা-ধনিকদের আরও ধনী করবে। আর নিঃস্ব হবে সাধারণ মানুষ।

নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবিত বাজেট বাতিল করে গণমানুষের জন্য খাদ্য-স্বাস্থ্য-কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট প্রণয়নের দাবি জানান।