কামরাঙ্গীরচরে পরিবহন ধর্মঘট ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

৩০ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ‘ঘেরাও কর্মসূচি’ ঘোষণা

কামরাঙ্গীরচরে গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকে পরিবহন ধর্মঘট পালিত হয়েছে।

আজ (১৬ আগস্ট ২০২২), মঙ্গলবার রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকে সকাল ৬টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিবহন ধর্মঘট পালিত হয়।

হরতাল পরবর্তী সমাবেশ থেকে ব্যাটারিচালিত যানবাহন আটক ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান বন্ধ করে লাইসেন্স প্রদানের দাবিতে আগামী ৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ঘেরাও ও মেয়র বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বলেন, গতকাল রাত হতে ধর্মঘট ও সমাবেশ বানচাল করার জন্য পুলিশ শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি-গ্রেপ্তার-ভয়ভীতি দেখায়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মঘট চলাকালে সকল ভয়ভীতি নির্যাতন বাধা উপেক্ষা করে ধর্মঘটের সমর্থনে হাজার হাজার শ্রমিক কুড়ার ঘাট হাসপাতাল শহীদ মিনার মাঠ থেকে মিছিল করে সেকশন বেড়ি বাধে এসে সমাবেশ করে।

আব্দুল হাকিম মাইজভান্ডারির সভাপতিত্বে শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা রাগিব আহসান মুন্না, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম নাদিম, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন নন্দী, হাজারীবাগ থানার সভাপতি সুমন মৃধা, ৫৫নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা, ৫৭নং ওয়ার্ড সভাপতি আরিফুল ইসলাম, শ্রমিকনেতা জালাল সিকদার, মো. জুয়েল, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা পুলিশি হয়রানি নির্যাতনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। পুলিশের দায়িত্ব জনগণের অধিকার রক্ষায় জনগণের সাথে থাকা কিন্তু সরকার পুলিশকে জনগণের কণ্ঠরোধে লাঠিয়ালে পরিণত করেছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের গ্যারেজে বৈধভাবে মিটার ব্যবহার করে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হয়। এই সকল বিদ্যুতের লাইন বিনা নোটিশে বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ কাজ। অবিলম্বে বিচ্ছিন্নকৃত সকল বৈধসংযোগ পুনরায় চালু করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার অজুহাত দিয়ে গরিব মানুষের রুজির ওপর হামলা করা হচ্ছে কিন্তু বড় লোকের এসির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কোন অভিযান সরকারকে নিতে দেখা যায়না। সরকার গরিব মেরে বড়লোক তোষণের নীতিতে দেশ চালাচ্ছে। লাখো শহীদের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে এই নীতি চলবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.