আর কত শ্রমিক মরবে?

অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন   

শ্রমিকের জীবনের কি কোনো দাম আছে? এই দেশে শ্রমিকের জীবন সংক্ষিপ্ত, খুব সস্তা কিংবা মূল্যহীন! শ্রমিকের মৃত্যুও তাই খুব সহজ! এ দেশে শ্রমিক হত্যার কোনো বিচার হয় না। শ্রমিক হত্যাকাণ্ড দ্রুতই স্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়। একের পর এক শ্রমিকের জীবন ঝরে পড়ছে। আর কত শ্রমিক মরবে?

ঢাকা ইপিজেডে আবারও শ্রমিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশের হামলায় একজন শ্রমিকের জীবন ঝরে পড়েছে। শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ না করেই বেআইনিভাবে গত ২১ জানুয়ারি মাস্ট গ্রুপের ‘লেনী ফ্যাশন’ পোশাক কারখানাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলন গড়ে তোলেন। গত ১৩ জুন আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায়। লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ, জলকামানের ব্যবহার সব কিছুই চলতে থাকে। বাদ যায়নি পুলিশের গুলিবর্ষণও। পুলিশের হামলায় নিহত হন গোল্ডম্যাক্স কারখানার শ্রমিক জেসমিন বেগম।

এই হামলার একদিন আগে অর্থাৎ গত ১২ জুন আদমজী ইপিজেডে কুনতুনের (সাবেক ফ্যাশন সিটি) কারখানার শ্রমিকরা মালিকপক্ষের কথামতো বকেয়া বেতনের জন্য কারখানার সামনে সমবেত হন। শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে মালিকপক্ষ ইপিজেডের আনসার ও পুলিশ লেলিয়ে দেয়। আনসার ও পুলিশের হামলায় ২০ জন শ্রমিক আহত হন। শ্রমিকরা প্রতিরোধ করলে, পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়।

গত ঈদের আগের কথা। করোনা সংক্রমণ রোধের কথা বলে শ্রমিকদের ঈদের ছুটি তিন দিন দিতে শিল্পকারখানার মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। মালিকেরা সেই পথে হাঁটতে শুরু করলে, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ১০ মে গাজীপুরের টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় আন্দোলনরত হা-মীম গ্রুপের শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ১৫ জন শ্রমিক আহত হন।

দেড় বছর আগের কথা। বকেয়া বেতনসহ নানা দাবিতে পাটকল শ্রমিকরা আন্দোলন গড়ে তোলেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে খুলনায় তাঁরা অনশন শুরু করেন। অনশন করতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পাটকল শ্রমিক আবদুস সাত্তার ও আবদুল মজিদ। সরকার গত বছর রাষ্ট্রায়াত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দেয়। ফলে ২৫ হাজার শ্রমিক পথে বসেছেন। রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল বন্ধের পর ৬টি রাষ্ট্রায়াত্ত চিনিকল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব কারখানার ২ হাজার ৮৮৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী কাজ হারিয়েছেন। অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন লাখ লাখ আখচাষি।

করোনাকালে কাজ হারিয়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে শ্রমিকদের মধ্যে এ সংখ্যা অনেক বেশি। তাঁদের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। চলতি বছরের মার্চে পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, গৃহশ্রমিকদের কাজ হারানোর হার সর্বোচ্চ, ৩২ শতাংশ। এরপরই আছেন দক্ষ শ্রমিক এবং বেতনভুক্ত নিম্ন আয়ের মানুষ।

গৃহশ্রমিকদের আয় কোভিড-পূর্ব সময়ের চেয়ে ৬১ শতাংশ কমে গেছে। অদক্ষ শ্রমিকদের আয় কমেছে ৫০ শতাংশ। পরিবহনশ্রমিক ও রিকশাচালকদের আয়ও ৪৮ শতাংশ কমে গেছে। করোনার কারণে উৎপাদন, নির্মাণ, পরিবহন খাতের শ্রমিকেরা আছেন উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে।

শ্রমিক শ্রেণি হচ্ছে করোনার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী শ্রেণি। করোনার ধাক্কায় দারিদ্র্যের আরো জটিল ফাঁদে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। এই মহাদুর্যোগে শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা যেখানে এমনিতেই দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে, সেখানে মজুরি না দেয়া শ্রম আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বারে বারে আন্দোলনে নামতে হয় এবং নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়। শ্রমিকদের দমন করতে পুলিশ, গুণ্ডা লেলিয়ে দেয়া হয়। শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ, লাঠিচার্জ চলে। হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।

সরকারবিরোধী আন্দোলন দূরে থাক, বকেয়া বেতনের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনকেও কেন সরকার সহ্য করতে পারে না? আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ওপর কেন পুলিশ গুলি চালায়? এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃত্ববাদী সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে বড় হুমকি যে কোনো ধরনের গণ-আন্দোলন। কর্তৃত্ববাদী সরকারব্যবস্থায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভয়ের সংস্কৃতি সমাজের সব স্তরে জারি রাখা প্রয়োজন হয়, তারই ধারাবাহিকতায় যেকোনো ধরনের প্রতিবাদ ও আন্দোলনকে কঠোর হাতে দমন করা কর্তৃত্ববাদী সরকারের জন্য জরুরি।

মনে করিয়ে দিই, এ বছরের ১৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্রে বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছিল। তখন পুলিশের গুলিতে ৭ জন শ্রমিক নিহত হন। আহত হন কয়েক শ’ শ্রমিক। বাঁশখালীতে পুলিশের গুলিতে শ্রমিকদের নিহত-আহত হওয়ার ঘটনায় কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকরী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বরং ৩ হাজার ৫৬২ জন নিরস্ত্র শ্রমিক ও এলাকাবাসীকে আসামী করে প্রকল্প উদ্যোক্তা ও পুলিশ মামলা করেছিল। এর আগে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের বিরোধিতাকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে চারজন নিহত হন। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতেও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধিতা করায় একজনকে জীবন দিতে হয়।

শ্রমিক হত্যা আর শ্রমিকের ওপর নির্যাতনের যেন শেষ নেই। এযাবৎকালে অর্ধশতাধিক কারখানায় প্রায় তিন হাজার শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে এবং ভবনচাপা পড়ে মারা গেছেন। তার সাক্ষী হিসাবে রানা প্লাজা, তাজরীন, স্পেকট্রাম, কেটিএসসহ অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের মর্মান্তিক দৃষ্টান্তÍ উল্লেখ করা যায়।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাফল্যের মূল কারণ যে সস্তা শ্রম, সে কথা এখন দেশ-বিদেশের সবাই জানেন। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পোশাক শ্রমিকেরা যে শ্রম দেন, সেই শ্রমের প্রকৃত মজুরিও তাঁরা পান না। শ্রমিককে ফাঁকি দিয়ে দেশ-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন মালিকরা। সামান্য মজুরির ওপরও মালিকের লোলুপ দৃষ্টি। শ্রমিকদের বেতন ঠিকমতো পরিশোধও করতে চান না মালিকেরা। আইন অমান্য করে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ না করে কারখানা বন্ধ করে দেয়া এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আইন ভঙ্গকারী মালিকদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। কারণ, সরকারকে নাকি মালিকরাই টিকিয়ে রেখেছেন!

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার ব্যাপক মাত্রায় শ্রমিক-নিপীড়নের কথা উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন রিলেশন্স কমিটির এক প্রতিবেদনে। গত বছর প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রানা প্লাজা ধসের পরও বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিক নিপীড়ন বেড়েছে। বিশেষ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ নারী শ্রমিকরা অপেক্ষাকৃত বেশি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শ্রমিকরা ফ্যাশন শিল্পের কোটা পূরণে প্রায়ই নিজেদের বলি দিচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, গার্মেন্ট কারখানায় লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার অনেক নজির রয়েছে। ৮০ শতাংশ নারী কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির মুখোমুখি বা শিকার এবং নিপীড়িত হন। কারখানারা মালিকরা শ্রমিকদের যৌন হয়রানি ও নিপীড়নে এখনও জড়িত। বাংলাদেশ সরকার কোনো অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি করতে পারেনি।

‘শ্রমিকদের রক্তের দাগ লেগে থাকা’ বাংলাদেশের পোশাক ব্যবহার না করার জন্য প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের সতর্ক করা হয়। এই প্রতিবেদন এমন সময় প্রকাশিত হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ কার্যালয়ও বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা মানের সংস্কার কার্যক্রমের গতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তির (টিকফা) পঞ্চম সভায় মার্কিন প্রতিনিধি দল এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২০ সালে কর্মক্ষেত্রে ৭২৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বিলসের এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয় বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। প্রকৃত সংখ্যা যে আরো বেশি হবে, সেটা সহজেই বোঝা যায়।

বিলস-এর ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে ৫৯৬ জন শ্রমিক নির্যাতনের শিকার হন। এর মধ্যে মারা যান ৩১৬ জন, আহত হন ২২৯, আত্মহত্যা করেন ২৪ জন, ৮ জন নিখোঁজ হন। ২০২০ সালে ৪৪ জন গৃহশ্রমিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে নিহত হন ১৬ জন। নিখোঁজের ঘটনা ঘটে ১টি। আত্মহত্যা করেন ৪ জন। বিলস-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২০ সালে ৮৪ জন, ২০১৯ সালে ১৩৪, ২০১৮ সালে ১৬১ জন এবং ২০১৭ সালে ১৩৪ জন নির্মাণশ্রমিক কাজে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান।

বাংলাদেশে প্রায় ৯২ শতাংশ শ্রমিকের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিই নেই। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিসংখ্যান থেকে বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকারের এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটি উঠে এসেছে। বিবিএস-এর তথ্য থেকে জানা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকা ৯২ শতাংশ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে রয়েছে, নির্মাণ শ্রমিক, জাহাজহভাঙ্গা শ্রমিক, গৃহশ্রমিক, মাটিকাটা শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক, রিকশা শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, জেলে বা মৎস্য শ্রমিকসহ আরো অসংখ্য কারখানা ও ক্যাটাগরির শ্রমিক রয়েছেন, যাঁদের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতি নেই। এই বৃহৎ শ্রমিক জনগোষ্ঠীর জন্য নেই কোনো সুরক্ষা বা সুনির্দিষ্ট মজুরি। এসব শ্রমিকের রোগ-ব্যাধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্ঘটনায় ও মৃত্যুর সময়ে মানুষের দয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকায়, তারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তাঁদের প্রয়োজনে ন্যূনতম সুবিধা পান না।

শ্রমিকেরা অকাতরে মরছেন, ধুকে ধুকে কিংবা গুলি খেয়ে। আর সরকার উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে যাচ্ছে। আসলে ‘উন্নয়নে’র ফানুস উড়িয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। ‘উন্নয়ন’ যা হচ্ছে, তার জন্য অবদান তো শ্রমজীবী মানুষের। শ্রমিকের জীবনে এই ‘উন্নয়নে’র প্রভাব কোথায়? এত ‘উন্নয়ন’, তাহলে বকেয়া বেতনের জন্য শ্রমিককে কেন আন্দোলনে নামতে হয় এবং গুলি খেয়ে কেন মরতে হয়? একদিকে শ্রমিকেরা মরছেন, অন্যদিকে বিত্তশালীরা আরো সম্পদ কুক্ষিগত করছেন।

করোনাকালে দেশে বৈষম্য, দারিদ্র্য বাড়ছে। সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণ শুরুর পর জুন শেষে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৯ দশমিক ৪ শতাংশে ঠেকেছে। অতিদারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। করোনার আগে এই হার ছিল যথাক্রমে ২০ দশমিক ৫ এবং ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলেছে, করোনায় দারিদ্র্যের হার বেড়ে হয়েছে ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শ্রমিকের দীর্ঘশ্বাস ভরা যে ‘উন্নয়ন’, যে ‘উন্নয়নে’র মানে শ্রমিকের রক্ত-ঘামে ধনীর উল্লম্ফন, যে ‘উন্নয়ন’ শ্রমিকের ন্যায্য বেতন পরিশোধ করতে পারে না, যে ‘উন্নয়ন’ শ্রমিকের মৃত্যু থামাতে পারে না, সেই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকেই আজ দৃঢ়ভাবে চ্যালেঞ্জ জানাতে হবে।

লেখক: প্রেসিডিয়াম সদস্য, সিপিবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.