আগামীকাল বিক্ষোভ, সিপিবিসহ বাম দলগুলোর নিন্দা

আজ ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার খুলনায় আটরায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের পূর্ব নির্ধারিত অবরোধ কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিবর্ষণ, টিয়ারসেল নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সিপিবি, বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ বাম দলগুলো আগামীকাল দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

আগামীকাল (২০ অক্টোবর) মঙ্গলবার বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে খুলনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিপিবি, বাম জোটসহ অন্যন্য বাম দলগুলো এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম বিবৃতিতে বলেন, “রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ পাটকল খুলে দেয়ার দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অবরোধ কর্মসূচিতে ইস্টার্ণ জুট মিলের অভ্যন্তরে শ্রমিক কলোনিতে ঢুকে পুলিশ নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। পুলিশের লাঠি চার্জে ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবীর জাহিদ, ইউসিএল’র সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড রনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সিপিবি নেতা কমরেড এস এম চন্দনসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।”

তারা আরো বলেন, “পুলিশ কর্মসূচি থেকে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, সদস্য সচিব ও সিপিবি নেতা এস এ রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাসদ নেতা জনার্দন দত্ত নান্টু, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, শ্রমিকনেতা অলিয়ার রহমান, ছাত্র ফেডারেশনের নেতা আল-আমিন শেখ, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা মুনীর চৌধুরী সোহেলসহ বিশের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “সরকারের এই ধরণের আচরণ ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনেরই বহিঃপ্রকাশ। নেতৃবৃন্দ সরকার ও পুলিশের এই ধরণের আচরণের তীব্র নিন্দা জানান। অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। নেতৃবৃন্দ দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।”

আজকের এ নৃশংস হামলা ও গ্রেপ্তারের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ অন্যান্য বাম দলগুলোও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে।